
স্টাফ রিপোর্টার : মৌলভীবাজার সদর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের আওতাধীন এলাকায় প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাট জনজীবনকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। সকাল-সন্ধ্যা যখন-তখন বিদ্যুৎ চলে যায়, আবার দীর্ঘক্ষণ ফিরে আসে না।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, প্রতিদিন একই অজুহাত শোনা যায়—‘লোডশেডিং’। অথচ কেন এত দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকে না বা সঠিক সময়সূচি কেন জানানো হয় না, তার জবাব পায় না সাধারণ মানুষ।
এছাড়া মিটার কারচুপি, ভুতুড়ে বিল ও ভোগান্তিমূলক সেবার জন্যও পল্লী বিদ্যুৎ সদর জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে।
১৫ সোমবার সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের ছালামিটিলা, শিমুলতলা ও আশপাশের অধিকাংশ এলাকায় প্রায় তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। গ্রাহকেরা অভিযোগ কেন্দ্রের মুঠোফোন নাম্বারে একাধিকবার কল করলেও কেউ রিসিভ করেননি। এছাড়া কল ব্যস্ত দেখিয়ে রেখেছেন বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
পরবর্তীতে এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) এর নাম্বারে বারবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউল হকের নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সেটিও ব্যস্ত থাকায় কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা সেবা নিতে টাকা দিচ্ছি, কিন্তু বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। অভিযোগ করতে গেলে কল রিসিভ করা হয় না। এটা কি ধরনের সেবা?’
মৌলভীবাজারবাসীর প্রশ্ন, ‘বিদ্যুৎ সেবা না দিয়ে শুধু ভুতুড়ে বিল থোপানোর দায়ভার কি কেউ নেবে?’
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.