
বশির আহমদ : দেশব্যাপী টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হলেও অনেক অভিভাবক এখনো সন্তানদের টিকা দিতে অনিচ্ছুক। কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে, অভিভাবকদের নিষেধে শিক্ষার্থীরা টিকা নিতে রেজিষ্টেশন করছেনা। অনেকে মনে করছেন, এই টিকা ভবিষ্যতে মেয়েদের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আবার কেউ কেউ ভাবছেন, করোনা টিকার মতো এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
এইসব বিভ্রান্তি দূর করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, টাইফয়েড ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ হালাল। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক জানিয়েছেন, টিকার কোনো উপাদানই ইসলামী শরীয়তের পরিপন্থী নয়; বরং এটি মানবকল্যাণমূলক ও জীবনরক্ষাকারী উদ্যোগ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাইফয়েড একটি মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা শিশুদের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। সরকার শিশুদের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে এই টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন, গুজবে কান না দিয়ে সন্তানদের টিকা দিতে এগিয়ে আসুন। এটি শুধু ব্যক্তিগত সুরক্ষাই নয়, বরং সমগ্র সমাজকে রোগমুক্ত রাখার একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
লেখক : বশির আহমদ, অধ্যক্ষ, উলুয়াইল ইসলায়া আলিম মাদরাসা।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.