
বড়লেখা প্রতিনিধি : আগামী বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে আগাম হাওয়া। দীর্ঘদিনের রাজপথের লড়াই-সংগ্রাম আর দলের প্রতি অবিচল আনুগত্যের কারণে এবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন সাবেক মেয়র পদপ্রার্থী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক বড়লেখা প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ করে ২০১৫ এবং ২০২০ সালের নির্বাচনে প্রতিকূল পরিবেশেও মাঠ না ছাড়া এই নেতাকে ঘিরেই এবার স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় বিএনপি ও সাধারণ ভোটাররা।
বড়লেখা পৌর এলাকার সাধারণ ভোটার ও দলীয় কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আনোয়ারুল ইসলাম কেবল একজন প্রার্থী নন, বরং দীর্ঘ সময় ধরে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সারথি হিসেবে কাজ করছেন। দলীয় কর্মীদের মতে, বিগত ২০১৫ ও ২০২০ সালের নির্বাচনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষের পতাকা হাতে যেভাবে লড়েছেন, তা তাঁর সাহসিকতা ও দলের প্রতি ত্যাগের অনন্য উদাহরণ।
স্থানীয় এক প্রবীণ কর্মী বলেন "আনোয়ারুল ইসলাম সেই নেতা, যিনি বিপদে আমাদের হাত ছেড়ে দেননি। শত বাধা সত্ত্বেও তিনি পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে সংগঠনকে ধরে রেখেছেন। আমরা মনে করি, এবার সুষ্ঠু পরিবেশ থাকলে তাঁর জয় নিশ্চিত।"
আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে তাঁর সমর্থকদের প্রচারণায় মূলত তিনটি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে: ১. দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই। ২. বিগত দুটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে পৌরসভার অলিগলি এবং সমস্যাগুলো তাঁর নখদর্পণে। ৩. ২০২৬ সালের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নমুখী পৌরসভা গড়তে তাঁর মতো সৎ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প দেখছেন না স্থানীয়রা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং পাড়া-মহল্লায় আনোয়ারুল ইসলামের সমর্থনে 'গণদাবি' ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। সাধারণ মানুষ চাচ্ছেন একজন 'আপন মানুষ'কে, যিনি মেয়রের চেয়ারে বসে মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করবেন। উন্নয়নের অগ্রদূত হিসেবে তাঁকে ঘিরেই নতুন করে সাজানো হচ্ছে আগামীর ইশতেহার।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.