
আব্দুর রব : বড়লেখায় শুক্রবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। এদের মধ্যে খালেদ মাহমুদ নামক গ্রেফতার ব্যক্তি পেশায় একজন ঠিকাদার। একই দিন পৃথক অভিযানে পুলিশ আরও দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।
শনিবার ২ মে দুপুরে গ্রেফতার ৫ আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার মধ্যরাতে বড়লেখা থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানকালে বড়লেখা পলি ক্লিনিকের সামনে থেকে ১৪ পিস ইয়াবাসহ তিন যুবককে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রাজনগর উপজেলার সারংপুর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে ঠিকাদার খালেদ মাহমুদ (৩৬), বড়লেখা পৌরসভার পাখিয়ালা এলাকার মৃত মঈন উদ্দিনের ছেলে আব্দুল আলীম সিরুল (৩৩) ও ব্রাম্মনবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল এলাকার মৃত আব্দুর রশীদের ছেলে মো. আলম (৩৫)। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বড়লেখা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার আসামি খালেদ মাহমুদ পেশায় একজন ঠিকাদার। তার বাড়ি রাজনগর উপজেলার সারংপুর গ্রামে হলেও তিনি প্রায় এক যুগ ধরে বড়লেখায় বসবাস করে ঠিকাদারি ব্যবসা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঠিকাদারী ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা সেবন ও কেনাবেচায় সম্পৃক্ত রয়েছেন।
এদিকে একই দিন মধ্যরাতে পৃথক অভিযানে পুলিশ আরও দুইজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে উপজেলার বর্ণিচক এলাকার পংকি মিয়ার ছেলে মো. কলিম উদ্দিন (৩০)-কে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় এবং চরগ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে আব্দুল বাছিত (৪৫)-কে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় গ্রেফতার করা হয়।
বড়লেখা থানার ওসি মো: মনিরুজ্জামান খান জানান, ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজনকে এবং পৃথক ধারায় আরও দুজ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত পাঁচজনকেই শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.