
আব্দুর রব : বড়লেখায় মরিয়ম আক্তার মুন্নী (২৩) নামে এক গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে, গৃহবধুর পিতার অভিযোগ, ননদ-শ্বাশুড়ি ও ভাসুরের স্ত্রী পিটিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যা চালিয়ে দিতে গলায় রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখেন। ঘটনাটি ঘটেছে বড়লখা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের মুড়িরগুল এলাকার সৌদি আরবপ্রবাসী মামুনুর রশীদ লাবলুর বাড়িতে।
২১ আগস্ট শুক্রবার রাতে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। মরিয়ম আক্তার মুন্নী উপজেলার বিওসি কেছরিগুল (ডিমাই) গ্রামের হাজী মকবুল আলীর মেয়ে এবং দুই বছর বয়সি এক কন্যা সন্তানের জননী।
শনিবার দুপুরে নিহত গৃহবধু মরিয়মের পিতা হাজী মকবুল আলী বড়লেখা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গলায় রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। ঘটনার আগে বিভিন্ন সময় মরিয়মকে নির্যাতন করা হতো। এ বিষয়ে মরিয়মের পাঠানো কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ ভয়েস রেকর্ড তার কাছে রয়েছে। এসব রেকর্ডে মরিয়ম শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছিলেন। মরিয়মের ঝুলন্ত লাশের নিচে একটি বালতি ও মগ পাওয়া যায়। লাশের অবস্থান আত্মহত্যার প্রমাণ করে না। পুরো ঘটনাটিকে প্রশ্নবিদ্ধ ও সন্দেহজনক করে তুলেছে। ঘটনাটিকে তিনি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে দাবি করেন। তিনি মেয়ের শাশুড়ি, ননদ ও ভাসুরের স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান শনিবার বিকেলে জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরিয়মের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার মর্গে পাঠানো হয়েছে। পোস্টমোর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.