
মাহফুজ শাকিল : কুলাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডে কয়েকটি জনগুরুত্বপূর্ণ কাঁচা রাস্তা সংস্কার করে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন ইউনিয়নের বালিশ্রী গ্রামের বাসিন্দা, সৌদি আরব প্রবাসী, মেম্বার পদপ্রার্থী সমাজসেবক মো. সেলিম আহমদ। তাঁর উদ্যোগে ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের বালিশ্রী,পূর্ব করের গ্রাম ও বিটআরআই গ্রামের প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তায় প্রায় লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করা হয়। গত সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত প্রায় ২৫-৩০ জন শ্রমিক নিয়ে সেলিম আহমদ নিজে সাথে থেকে সড়কে মাটি, বালু ও ইটের খোয়া ফেলে রাস্তা চলাচলের উপযোগী করেন।
স্থানীয়রা জানান, কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের সবচেয়ে জনবহুল ও অবহেলিত গ্রাম হলো বালিশ্রী ও পূর্ব করের গ্রাম। এসব রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করেন কয়েকশত পরিবারের প্রায় দুই সহস্রাধিকেরও বেশি মানুষ। এসব রাস্তা দিয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় পড়ুয়া শত শত শিক্ষার্থীরাও চলাচল করেন। বর্ষা মৌসুমে সড়কটিতে কাদা ও পানি জমে পথচারীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা তরমুজ মিয়া, হারুন মিয়া, আব্বাছ আলী, মনির হোসেন, শরীফ মিয়া, আনু মিয়া, ময়না মিয়া, ফাতু মিয়া, রফিক মিয়াসহ কয়েকজন লোক জানান, প্রবাসী সেলিম আহমদ ওয়ার্ডের মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে নিজের ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ইট বালু এনে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করতে এগিয়ে আসেন। তাঁর উদ্যোগের কারণে আপাতত মানুষের চলাচলে অনেক স্বস্তি ফিরে এসেছে। সেলিম আহমদের এমন কাজ যেন সবসময় অব্যাহত থাকে এটাই কামনা করি।
এক প্রতিক্রিয়ায় সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী সেলিম আহমদ বলেন, বর্ষায় আমাদের ওয়ার্ডের কয়েকটি রাস্তার অবস্থা খুবই শোচনীয়। এসব রাস্তা দিয়ে মানুষের চলাচল করতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তাই এলাকার মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে তাদের চলাচলের সুবিধার্থে আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে রাস্তাগুলো চলাচলের জন্য উপযোগী করা হয়। আগামীতেও ওয়ার্ডের বাকি ভাঙ্গাচোড়া রাস্তাগুলো মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে সংস্কার করা হবে। এ কাজে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি। মানুষের চলাচলে কিছুটা হলেও ভোগান্তি কমাতে পারলে সেটিই হবে আমার জন্য সবচেয়ে বড় পাওয়া।”
উল্লেখ্য, প্রবাসী সেলিম আহমদ সদর ইউনিয়নের বালিশ্রী গ্রামের বাসিন্দা মৃত মো. মন্তর আলী মহুরীর ছেলে। তিনি দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে সৌদিআরব ছিলেন। সেখানে থেকে এলাকার মানুষের যেকোন সংকটে পাশে ছিলেন। গত কয়েক বছর আগে তিনি এলাকার মানুষের খেদমত করার জন্য দেশে ফিরেন। এলাকার মানুষের সুখে-দু:খে পাশে থেকে বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.