জুড়ী প্রতিনিধি : মৌলভীবাজার জেলা যুব দলের যুগ্ম সম্পাদক আজহার আহমদ ওয়াসিম বলেছেন, আগামী দিনে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আমাদের নেতা, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়তে চাচ্ছেন সেই উন্নয়নের বার্তা গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দেব।
এসময় তিনি আরো বলেন, জুড়ী উপজেলার মানুষের পাশে আমার বাবা ও পরিবার যেমন ছিলেন তেমনি ভাবে আমিও জীবনের শেষদিন পর্যন্ত থাকব, ইনশাআল্লাহ।
দীর্ঘদিন পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরে শনিবার ১০ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার জুড়ীতে এক সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জুড়ীর রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হওয়ার ঘোষণা দিলেন জেলা যুবদলের এই নেতা আজহার আহমদ ওয়াসিম। তিনি জুড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আছাদ উদ্দিনের ছেলে। দেশে ফেরার পর আসন্ন পূর্বজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিয়েও তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছেন।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১০ অক্টোবর দেশে ফিরেছেন আজহার আহমদ ওয়াসিম। দেশে ফিরে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। একই সঙ্গে পূর্বজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন তিনি।
বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত আজহার আহমদ ওয়াসিম ছাত্র ও যুব রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন। বর্তমানে তিনি মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের সম্ভাব্য নির্বাচনী প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর আরেকটি পরিচয়, তিনি জুড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আছাদ উদ্দিনের ছেলে। বাবার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিচিতিকে সামনে রেখে এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি দেশে ফিরছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে।
আজহার আহমদ ওয়াসিমের সম্ভাব্য প্রার্থিতা ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তাঁর দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা, দলীয় সমর্থন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতার চূড়ান্ত চিত্র নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট সময়ে তাঁর সিদ্ধান্ত, দলের অবস্থান ও নির্বাচনী পরিস্থিতির ওপর। তবে পূর্বজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলে স্থানীয় নির্বাচনী সমীকরণেও নতুন মাত্রা যুক্ত হতে পারে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.