
স্টাফ রিপোর্টার : মৌলভীবাজারে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্নাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার ৭ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টায় পৌর মেয়র চত্তরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহবায়ক ফয়জুল করিম ময়ুন এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের এমপি এম নাসের রহমান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-১ ও ২ আসনের এমপি নাসির উদ্দিন মিটু এবং শওকতুল ইসলাম শকু।
উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মিজানুর রহমান মিজান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন, জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল, সাধারণ সম্পাদক এম এ মুহিতসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতা কর্মীরা। পরে মেয়র চত্ত্বর থেকে বর্নাঢ্য র্যালী বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পশ্চিম বাজার চৌরাস্তা এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
বক্তারা ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে একটি তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করা।
কিন্তু ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহী ও জনতার সম্মিলিত বিপ্লবের মাধ্যমে বন্দীদশা থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা হয়। তিনি সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন এবং সর্বোপরি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেন। এ কারণেই ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
বক্তারা আরও বলেন, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ বছর ফ্যাসিষ্ট সরকার ৭ নভেম্বরের চেতনাকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে এবং তরুণ প্রজন্মের কাছ থেকে এর সঠিক ইতিহাস আড়াল করার অপচেষ্টা চালিয়েছে।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতি সেই তাবেদার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে।
তরুণ প্রজন্মের মাঝে ৭ নভেম্বরের চেতনা ও সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে বিএনপি সরকারকে আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে বলে বক্তারা মতামত ব্যক্ত করেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.