এইচ ডি রুবেল॥ কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ও ভুকশিমইল ইউনিয়নে পৃথক দুটি অগ্নিকান্ডে সম্পত্তির দলিল দস্তাবেজ, মূল্যবান স্বর্ণালঙ্কার, ফ্রিজ, টিভি, আসবাবপত্রসহ বাড়ি পুড়ে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।এসময় একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী জুই’র প্রবেশ পত্র এবং ইয়াকুব তাজুল মহিলা কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র সহ যাবতীয় ডকুমেন্ট পুড়ে গেছে।
২৪ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় দুপুর দেড় টার দিকে উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের উসমানপুর গ্রামের দুদু মিয়া ও চুনু মিয়ার বাড়ীতে ঘটনাটি ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে জুম্মার নামাজে থাকায় পুরুষশুন্য বাড়িতে মহিলারা হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান। প্রাথমিক পর্যায়ে তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে চিৎকার-চেঁচামেচি করে আত্মরক্ষার্থে পরিবারের সকল সদস্যরা বাড়ীর বাইরে চলে যান। কিছুক্ষণের মধ্যে আগুনে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ঘরে থাকা যাবতীয় দলিল-দস্তাবেজ, আসবাবপত্র, স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এমনকি ঘরে থাকা এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থীর এডমিট কার্ডও পুড়ে যায়। স্থানীয় মোঃ কামাল হোসেন জানান, অগ্নিকা-ের খবর পেয়ে দুপুর ২ টায় প্রথমে একটি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় দ্বিতীয় পর্যায়ে দুপুর আড়াইটায় ফায়ার সার্ভিসের আরেকটি গাড়ি এসে ঘন্টা ব্যাপী চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।এদিকে ২২ ফেব্রুয়ারী বুধবার রাত ৮টায় উপজেলার ভুকশিমইল ইউনিয়নের মদনগৌরী গ্রামে আব্দুল হাদী’র বাড়ীতে সৃষ্ট অগ্নিকান্ডে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৭টায় বাড়ীর মালিক আব্দুল হাদীর স্ত্রী দেখতে পান বৈদ্যুতিক বোর্ডে আগুন জ্বলছে। এ অবস্থায় তিনি আগুণ নিভাতে ব্যর্থ হলে চিৎকার দিয়ে আত্মরক্ষার্থে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে বাড়ীর বাইরে চলে যান। কিছুক্ষণের মধ্যে আগুনে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ঘরে থাকা যাবতীয় আসবাবপত্র, স্বর্ণা লংকার, মোবাইল, মূল্যবান কাগজ পত্র,-হাঁস-মুরগি, গবাদিপশুসহ প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। এমনকি ঘরে থাকা এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থীর এডমিট কার্ডও পুড়ে যায়। খবর পেয়ে কুলাউড়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে ঘন্টা ব্যাপি চেষ্টা করে আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.