আবদুর রব॥ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে রোববার ২৬ মার্চ হিন্দু সম্প্রদায়ের বারুণী স্নানোৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে মৌলভীবাজারের বড়লেখার মাধবকু- জলপ্রপাতে পুণ্যার্থীর ভিড় জমে। ভোর থেকে শুরু হয় ¯œান চলে সন্ধ্যা অবধি। শুধু এলাকার নয়, দূর-দূরান্তের হিন্দু ধর্মবলম্বীরাও এ পূণ্য¯œানে যোগ দেন। হাজারো পুণ্যার্থীর ভিড়ে জলপ্রপাত এলাকা সরগরম হয়ে উঠে। ছোট-বড় অসংখ্য গাড়ির দীর্ঘ সারিতে জলপ্রপাত রাস্তায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। জেলা পরিষদের গাড়ী পার্কিং ইজারাদার নিয়ম বর্হিভুতভাবে অনেক পুজার্থীর নিকট থেকে টোল আদায় করেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শুধু হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাই নন, অন্যান্য ধর্মের মানুষও উৎসব আনন্দে ছুটেন মাধবকু-ে। বারুণী ¯œান উপলক্ষে মাধবকু- এলাকায় বসে রকমারি পণ্যের মেলা।
মাধবকু- উন্নয়ন ও পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনুকুল চন্দ্র দেব সন্ধ্যায় যুগান্তরকে জানান পুণ্য¯œানে অন্তত ৩০ হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। পুলিশ প্রশাসন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ায় কোন ধরণের দুর্ঘটনা কিংবা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি। তবে অনেকে অভিযোগ করেন, বারুণী ¯œানের দিন গাড়ি পার্কিংয়ের টোল আদায়ের নিয়ম না থাকলেও ইজারাদার পূণ্যার্থীর গাড়ী থেকেও টোল আদায় করেছে। এছাড়া টোল আদায় নিয়ে হিন্দু পুণ্যার্থীর সাথে ইজারাদারের লোকজন অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অবৈধভাবে ছোটবড় গাড়ি প্রতি ২০, ৫০, ১০০ টাকা আদায় করা হয়।
এ বিষয়ে ইজারাদার আলাউদ্দিন পুণ্যার্থীর সাথে তার লোকজনের অসদাচরণের বিষয় জানা নেই জানিয়ে বলেন, ‘আমরা হিন্দু পুণ্যার্থীদের কাছ থেকে কোন টোল আদায় করিনি। এখানে মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজনের কাছ থেকে টোল আদায় করা হয়েছে।’
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী (ইজারা দাতা) জানান, পূণ্য¯œানের দিন হিন্দুদের গাড়ী থেকে টোল আদায়ের নিয়ম নেই। ইজারাদারের বিরুদ্ধে টোল আদায়ের প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সহিদুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, ‘নির্বিঘেœ বারুণী স্নানোৎসব উদ্যাপিত হয়েছে। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল।’
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.