
আবদুর রব॥ বড়লেখায় স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল মন্ত্রণালয়ের (এলজিইডি) প্রায় আড়াইশ’ কিলোমিটার পাকা রাস্তার প্রায় ৫০ কিলোমিটার রাস্তা খানাখন্দে পরিণত। এসব রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচলতো দুরের কথা পায়ে হেটে চলাচলেরও অনুপযোগী। এতে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, রাস্তার নির্মাণ কাজে চরম অনিয়ম ও দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কারণে রাস্তাাগুলো বেহাল হয়ে পড়েছে। এপ্রিল মাস থেকে শুরু হওয়া ভারী বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে উপজেলার নিম্নাঞ্চলের গ্রামীণ রাস্তাগুলোতে পানি উঠতে শুরু করে। বন্যার অবনতিতে ৩ মাসে ৫৩ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা তলিয়ে যায়। এতে জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলার বর্নি, তালিমপুর ও সুজানগর ইউনিয়নের রাস্তা ঘাট দীর্ঘদিন ডুবে থাকায় রাস্তাগুলো মারাত্মকভাবে বিধস্ব— হয়েছ।

সরেজমিনে উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের আজিমগঞ্জবাজার-ভোলারকান্দি, সুজানগর-বাঘমারা ভায়া কানুনগোবাজার, তেরাকুড়ি ভায়া কাটালতলী রাস্তার বিভিন্ন স্থানের পিচ উঠে পাথর সরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হতে দেখা গেছে। ফলে মারাত্মক ঝুকি নিয়ে এলাকাবাসীকে খানাখন্দে ভরা বিধ্বস্ত এসব রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাংখিত দুর্ঘটনা।
খানাখন্দে ভরা চলাচল অনুপযোগী রাস্তাগুলো হচ্ছে দাসেরবাজার-বাছিরপুর ৪১ কিলোমিটার রাস্তার প্রায় ১৬ কিলোমিটার। বড়লেখা পাখিয়ালা চৌমুহনী হতে হাকালুকি কানুনগোবাজার রাস্তার প্রায় ৭ কিলোমিটার। দাসেরবাজার-বর্নি-গোদামবাজার রাস্তার ৪ কিলোমিটার ভেঙ্গে যাওয়ায় দুই ইউনিয়নের ২০ হাজার মানুষকে চরম ঝুকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। কাঠালতলী-তেরাকুড়ি ভায়া আজিমগঞ্জ রাস্তা, পাখিয়ালা-কেছরিগুল রাস্তা, বড়লেখা-সাতকরাকান্দি রাস্তায় এতই গর্তের সৃষ্টি হয়েছে যেখানে পায়ে হেটে চলাই দুঃসাধ্য।
উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ ভুষণ পাল জানান, প্রায় ৩ মাসের বন্যায় উপজেলার প্রত্যেকটি গ্রামীণ রাস্তার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাস্তাগুলোর মেরামত কাজের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.