গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং তারিখের সাপ্তাহিক পাতাকুঁড়ির দেশ পত্রিকার ৮ম পৃষ্ঠায় “বন কর্মচারিদের গুলি, অল্পের জন্য সাংবাদিকের রক্ষা” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ ও পাতাকুঁড়ির অনলাইন ও সম্প্রতি প্রচারিত বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমে এ সংক্রান্ত একাধিক প্রতিবেদন আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদে লিখা হয়েছে “কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন ইসলামপুরের সংরক্ষিত বনাঞ্চল কুরমা বনবিটের হামহাম জলপ্রপাতে যাওয়ার সময় বনবিটের কর্মচারিদের গুলি থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডম ও এশিয়ান টিভির মৌলভীবাজার প্রতিনিধি এম, এ, হামিদ।” আসলে এখানে সাংবাদিকের সাথে বনকর্মীদের কিছু ভূল বুঝাবুঝি হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হলো সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গাছ চুরির সময় বনকর্মীরা ফাঁকা গুলি ছুড়েন। এ সময় ওই সাংবাদিক এই রাস্তা দিয়ে হামহাম যাচ্ছিলেন। ঘটনার সময় বনকর্মীদের সাথে সম্মানিত এই সাংবাদিকের কিছু কথা কাটাকাটি হয়েছিল। আমি ঘটনার খবর পেয়েই সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাংবাদিক এম, এ, হামিদের কাছে বনকর্মীদের ক্ষমা চাইতে বলি। তারা এ ঘটনায় দু:খ প্রকাশ করে সাংবাদিক এম, এ, হামিদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে। এখানে সাংবাদিককে লক্ষ্য করে কোন গুলি ছোড়াও হয়নি। আমিও উক্ত সাংবাদিককে বনকর্মীদের সাথে এই ঘটনা মন থেকে সরে ফেলার অনুরোধ জানাই। আসলে বনকর্মীদের সাথে সামান্য ভূল বুঝাবুঝির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া আর কিছু নয়। এছাড়া পাতাকুঁড়ির দেশ এর অনলাইন ভার্সনে প্রচারিত ছবির মোথা অনেক আগের। এই মোথার বিষয়ে বনআইনে মামলা আছে। যা আদালতের বিচারাধীন। প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদে জনসম্মুখে আমার ভাবমুর্ত্তি ক্ষুন্ন হওয়ায় আমি প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা তুলে ধরলাম।
মো: জহিরুল ইসলাম
বিট অফিসার
কুরমা বনবিট
কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.