বড়লেখা প্রতিনিধি॥ বড়লেখায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরির দুই শতাধিক শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকটের কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন স্কুল ও পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের ওপর।
জানা গেছে, বড়লেখায় মোট স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ৫৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরমধ্যে ৩৩টি মাধ্যমিক, ৩টি নিম্নমাধ্যমিক, ১টি কলেজিয়েট, ২টি ডিগ্রী কলেজ, ৩টি ইন্টারমিডিয়েট কলেজ, ১টি কারিগরি কলেজ, ৮টি দাখিল, ২টি আলিম ও ৪টি ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা।
মাধ্যমিক পর্যায়ে ২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপিওযুক্ত ৩৫টি ও এমপিওবিহীন ৫৫টি সহকারী শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। এছাড়া এমপিও বিহীন (স্বীকৃতিপ্রাপ্ত) ৩টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয়ের আরো ১৭টি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। ইংরেজি, গণিত, সাধারণ বিজ্ঞান, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। যার প্রভাবে শিক্ষার্থীরা স্কুলের বার্ষিক, অর্ধবার্ষিক, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল খারাপ করছে।
এদিকে নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রী কলেজে গার্হস্থ বিজ্ঞান বিষয়ের এমপিওযুক্ত প্রভাষকের পদ ১টি ও শরীরচর্চা শিক্ষকের ১টি পদ শূন্য রয়েছে। দাসেরবাজার আদর্শ কলেজ, পাথারিয়া সুজানগর কলেজ, এম. মুন্তাজিম আলী কলেজ এবং শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের গুরুত্বপুর্ণ বিষয়ে ১৪টি ননএমপিও প্রভাষকের পদ শূন্য রয়েছে।
১৩ টি দাখিল, আলিম ও ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায় এমপিওযোগ্য ৪৩টি ও এমপিওবিহীন ৯টি শিক্ষক/প্রভাষকের পদ শূন্য। শিক্ষক সংকটের প্রভাবে ২০১৭ সালের এসএসসি, এইচএসসি, দাখিল ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে ধস নামে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাওলাদার আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, উপজেলার বিভিন্ন স্থরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই শতাধিক শিক্ষক ও প্রভাষকের পদ শূন্য রয়েছে। এগুলো পুরণের লক্ষে ইতিমধ্যে অত্র অফিস থেকে এনটিআরসিতে তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.