
আবদুর রব॥ বড়লেখা পৌরসভার ড্রেন নির্মাণ কাজ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ২ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হলেও ১০ মাসে তা সম্পন্ন করেননি। এতে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অসমাপ্ত ড্রেনের ওপর চলাচল করতে গিয়ে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। ইতিমধ্যে ড্রেনে পড়ে শিক্ষার্থীসহ ৬ জন আহত হয়েছেন।
সরেজমিনে পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের বশির ম্যানশন টু ইয়াকুবনগর সড়কের বেশ কয়েক জায়গায় ড্রেনের নির্মাণ কাজ অসমাপ্ত থাকায় মারাত্মক ঝুকিপুর্ণ হয়ে উঠতে দেখা গেছে। ২-৩ বছর ধরে এ রাস্তায় চলাচলকারী ৫০ পরিবার চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন। পৌর কর্তৃপক্ষ ২০১৬ সালে ১৭ মে এ রাস্তার হাটবন্দের কটির বাসা হতে নাজমার বাসা পর্যন্ত ৬১ মিটার ড্রেন নির্মাণের টেন্ডার আহবান করেন। এতে ব্যয় ধরা হয় ৪ লাখ ২৪ হাজার ৩৮৯ টাকা। ২ মাসে নির্মাণ কাজ সম্পন্নের শর্তে ২৮ ডিসেম্বর টেন্ডার পেয়ে পৌরসভার সাথে চুক্তিবদ্ধ হন মেসার্স ইসলাম এন্ড ব্রাদার্স নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রোপ্রাইটার ইসলাম উদ্দিন। ঠিকাদার ড্রেনের কাজ করতে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় রাস্তা খুড়ে চলাচল অনুপযোগী করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেন। নির্মাণ কাজ শেষ না করেই প্রায় ১০ মাস ঝুলিয়ে রাখেন। ড্রেনের নির্মাণ কাজ ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় অসমাপ্ত রাখায় বাসিন্দারা বিশেষ করে স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীরা প্রায় দিন পা পিচলে ড্রেনে পড়ছে। তপন শর্মা, মিনা শর্মা ও মৃত মোশাররফ উদ্দিনের বাসার সম্মুখ অংশ মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে কোন সময় দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। অনেকে জানান, ৬-৭ মাস আগে ঠিকাদার ড্রেনের কাজ শুরু করলেও তা আর সম্পন্ন করেননি। ড্রেন অসমাপ্ত এবং ভাঙ্গাচোরা রাস্তা মেরামত না করায় এলাকাবাসীকে অনেকটা গৃহবন্দির মত থাকতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে ব্যবসায়ী ছানু মিয়া, শিশু অমিত, জকিগঞ্জ থেকে খালার বাসায় বেড়াতে এসে হাসান সহ ৬ ব্যক্তি ড্রেনে পড়ে মারাত্মক আহত হন।
পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল আলম নির্মাণ কাজ সম্পন্নের নির্ধারিত মেয়াদের পর আরো ৮ মাস অতিবাহিত হওয়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান, খুব দ্রুত কাজ সম্পন্নের জন্য ঠিকাদারকে চাপ দেয়া হয়েছে।
ঠিকাদার ইসলাম উদ্দিন জানান, টানা বৃষ্ঠিপাতের কারণে কাজ সম্পন্নে কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। তবে বেশিরভাগ কাজ শেষ হয়ে গেছে। অবশিষ্ট নির্মাণ কাজ ২-৪ দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.