বিশেষ প্রতিনিধি॥ কুলাউড়া উপজেলার সরকারী বনাঞ্চলে দীর্ঘদিন যাবৎ বিচরণ করে বাঁশমহাল বিনষ্ট করার অভিযোগে ৯ হাতিকে ৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে আটক করে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছেন্ মহালদার। বনবিভাগ সুত্রে জানা যায়, বন বিভাগের কুলাউড়া রেঞ্জের অধীনস্থ কর্মধা ইউনিয়নের লবনছড়া, বেগুনছড়া ও গোগালীছড়া সরকারী বাঁশ মহালে ৩-৪ মাস যাবৎ মাহুত ছাড়া ১০ টি হাতির একটি দল বনাঞ্চলে বিচরণ করে সরকারী ও মহালদের বিপুল পরিমান বাঁশ বিনষ্ট করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে আসছে। এমতাবস্থায় লবনছড়া, বেগুনছড়া বাঁশমহালের ইজারাদার আব্দুল কাদির রুপাই মহালদার বৃহস্পতিবার বিকেলে তার মহালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাতির মাহুত (পরিচালক) দিয়ে এক অভিযান চালিয়ে ১০ টি হাতির মধ্যে ৯টি হাতিকে আটক করতে সক্ষম হন। পরে আটক ৯ হাতিকে নলডরি ফরেষ্ট অফিসের বিট কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। বন বিভাগের কুলাউড়া রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজ উদ্দিন জানান, আটক হাতির কোন মালিক এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে মহালের ইজারাদার উক্ত হাতির দ্বারা তার বাঁশমহালের ৫০ হাজার বাঁশ বিনষ্ট হওয়ার দাবী করে লিখিত আবেদন করেছেন বলে জানান। এ ব্যাপারে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ডিএফও মিহির কুমার দো জানান সরকারী বনাঞ্চলে কোন ব্যক্তি মালিকানাধীন হাতি বিচরণের নিয়ম নেই। তবে সরকারী রাজস্ব পরিশোধ সাপেক্ষে ব্যক্তি মালিকানাধীন হাতি বিচরণের বিধান রয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও জানান, মৌলভীবাজারের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বিচরণ করে ৬৮টি পোষা হাতি। হাতি পালনে বনবিভাগের অনুমোদনের প্রয়োজন হলেও মাত্র ১৮ জন মালিকের হাতি পালনের বৈধ অনুমোদন রয়েছে। বাকি অর্ধশত হাতি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধভাবে বিচরণ করে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.