কুলাউড়া প্রতিনিধি॥ কুলাউড়ায় ৭ দুর্বৃত্ত মিলে ১৭ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনার সাথে জড়িত ৫ আসামীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে ৩ আসামী ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী দিয়েছে।
তবে ঘটনার মুল হোতা শুকুর আলী (৩৫) ও তার অন্যতম সহযোগি রণধীর ঘোষ (২৫) কে আটক করতে পারেনি পুলিশ। মুল আসামী ধরা না পড়ায় মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ধর্ষণের ভিডিও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার কুলাউড়া ও জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আসামীদের আটক সকরতে সক্ষম হয়।
পুলিশ জানায় ঘটনার সাথে জড়িত সিএনজি অটো রিক্সা চালক হাসান মিয়া (২৫) কে আটক করতে সক্ষম হয়। তার দেয়া স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দির পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের পুসাইনগর ও জুড়ী উপজেলার ফলতলা সীমান্ত এলাকা থেকে বিলাল মিয়া (২৫), জাহাঙ্গীর আলম (২৬), সুজন মিয়া (২২) ও সুফিয়ান মিয়া (২৫)কে গ্রেফতার করা হয়। এরমধ্যে বিলাল ও জাহাঙ্গীর দালালের মাধ্যমে চোরাই পথে ভারতে পালানোর চেষ্টা চালায়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুলাউড়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, মুলহোতা শুকুর আলী ও তার অপর সহযোগিকে আটকের জোর চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, ১৫ এপ্রিল সোসবার রাতে পৌর এলাকার ১৭ বছরের এক কিশোরীকে ডেকে নিয়ে নির্জণ স্থানে ৭ দুর্বৃত্ত মিলে ধর্ষণ করে এবং সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে। এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদি হয়ে কুলাউড়া থানায় শুকুর আলীকে প্রধান আসী করে ৭ জনের বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.