
প্রণীত রঞ্জন দেবনাথ॥ পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বিভিন্ন বাজারে কোরবানি গরু-ছাগলের হাট জমজমাট হয়ে উঠেছে। মূল্য অধিক থাকায় ক্রেতারা ক্রয় করতে হিমশিম খাচ্ছেন।
জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার প্রতি শনি ও মঙ্গলবার, শমশেরনগর বাজারে প্রতি রবিবার ও বুধবার, ভানুগাছবাজারে ৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার ও আদমপুর বাজারে সোমবার ও শুক্রবার সাধারণ হাট বসে। কিন্তু পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাজার ইজারাদার এর মাইকিং ঘোষণায় প্রতিটি বাজারে এক সপ্তাহ পূর্ব থেকে প্রতিদিন কোরবানি গরু- ছাগলের বাজার বসছে।
সরজমিন দেখা যায়, কমলগঞ্জ ভানুগাছ রেলওয়ে ষ্টেশন মাঠে সংলগ্ন গরুর হাট জমে উঠেছে। হাটের যেদিকে চোখ যায় গরু আর গরু। দেশী গরুর ও ছাগলের চাহিদা বেশি। স্থানীয় গ্রামের মাঠে-ঘাটে পালন করা গরুগুলোই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় ক্রেতা আব্দুল বাছিত জানান, কোরবানি হাটে এসে গরু ক্রয় করার ইচ্ছা রয়েছে। কিন্তু অধিক মূল্য থাকায় শেষ পর্যন্ত গরু না ক্রয় করে ছাগল ক্রয় করতে পারি। এখনও ৩দিন বাকি রয়েছে। যদি সুবিধামতো পাওয়া যায় তবে গরুই ক্রয় করতে পারি। এদিকে বাজারে আশা অন্যান্য ক্রেতারা জানান, ‘হাটে কোরবানির পর্যাপ্ত রু রয়েছে। তবে দাম নিয়ে রয়েছে ভিন্নমত। ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। এখনো দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কোরবানির পশু নিয়ে হাটগুলোতে আসছেন বিক্রেতারা। সকাল থেকেই ক্রেতাসমাগম কিছুটা কম দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। শেষ দিনেও হাট আরো সরগরম হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা বিক্রেতাদের।’
আবার অনেক বিক্রেতারা আশা করছেন যতই সময় গড়াবে কোরবানির হাটের পশু বিক্রি ততই বাড়বে। ঈদের আগের দুই দিন ক্রেতা উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি হবে বলে আশাবাদ বিক্রেতাদের। এদিকে ক্রেতারাও চাইছেন, শেষ সময়ে এসে সাধ্যের মধ্যে ভালো পশুটা কিনতে।
হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে দাম কম-বেশি নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে অভিযোগ-অনুযোগ থাকলেও দাম একেবারে খুব বেশি এমনটা এখনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ক্রেতার উপস্থিতি কম, তবে যারাই আসছেন তার মধ্যে অনেকেই গরু ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.