
স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া কুশিয়ারা নদীতে মাছ মারার ধুম পড়েছে। প্রতি বছরের আশ্বিন মাসের শেষ কদিন ও কার্তিক মাসে শুরুর দিকে মিঠা পানির বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরেন নদী পাড়ের নানা পেশার মানুষ। নদীতে কারেন্ট জাল ও আফা জাল দিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যায় ও সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত পালা-বেঁধে এসব মৎস শিকার করা হয়।
জালে ইলিশ, লাছো, বাছা-কেদার, শরপুটি, কালিয়ারাসহ আরো হরেক রকমের মাছ ধরা পড়ে। এই সময়ে কুশিয়ারা নদী এলাকার মানুষ কম দামে বছরে একবার এসব মাছ কিনে খেতে পারেন। যারা এ মৎস পেশার সাথে জড়িত তারা জন প্রতি এ ৮-১০ দিনে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করেন। আশ্বিন-কার্তিকে নদীর পানি পরিস্কার দেখালে ও আকাশের প্রখর রৌদ্র নদীতে পড়লেই নানা জাতের মৎস দল-বেধে ভাটি থেকে উজানে যাবার চেষ্ঠা করে। এ সুযোগেই তারা মৎস শিকারে নামেন এমনটাই জানিয়েছেন নদী পাড়ের জেলেরা। জেলেরা জানিয়েছেন, নদীর জল এখনো ঘোলা (অপরিস্কার) থাকায় মাছ প্রচুর পরিমানে ধরা পড়ছেনা। আরো কদিন গেলে পানি পরিচ্ছন্ন দেখালেই মৎস শিকার আরো কয়েকগুন বেড়ে যাবে। সরেজমিনে রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের শাহাপুর ও জাহিদপুর গ্রামে গেলে দেখা যায়, অসংখ্য নৌকা নিয়ে পালা-বেঁধে কারেন্ট জাল পেঁতে জেলেরা মৎস শিকার করছেন। একটি জাল নদীর এপার-ওপাড়ে ফেলে দিয়ে নৌকাতে বসে থাকেন ১-২ জন জেলে। নদীর ¯্রােতে খানিকটা ভাটিতে গিয়ে প্রায় ১ ঘন্টা পর জাল তুলেন তারা। জালে ঝাঁকে ঝাঁকে বাছা-কেদার,লাছো ও ইলিশ মাছ ধরা পড়ে। এখানকার স্থানীয় জেলেরা জানান, কুশিয়ারা নদীর রাজনগর উপজেলার মধ্যে শাহাপুর-জাহিদপুর এলাকায় সবচেয়ে বেশি মাছ ধরা পরে। মৌলভীবাজার,রাজনগর উপজেলা সদর ও সিলেটের বালাগঞ্জ থেকে সাধারণ মানুষ এসে সস্তায় বস্তা ভর্তি দেশীয় মৎস খরিদ করে নিয়ে যান ।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.