
আউয়াল কালাম বেগ॥ রাজনগরে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন এক ব্যবসায়ী। ১৪ অক্টোবর সোমবার বিকালে রাজনগর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বাঙ্গালী গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে সেলিম আহমদ। তিনি বলেন রাস্তার জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে ভূমি দখল, গাছ কাটা ও গাছ চুরির মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে আমাকে আর মামলার পর সামাজিক সম্মানহানী ও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি ।
গতকাল লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০০৫ সালে উপজেলার বাঙ্গালী গ্রামে সেলিম আহমদের পৈত্রিক বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় পার্শ¦বর্তী বাড়ির আব্দুল খালিকের সাথে আলাপ করে পশ্চিম পাশে রাস্তা করার জন্য কিছু জায়গা রেখে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন। সম্প্রতি ওই রাস্তার জায়গা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। আব্দুল খালিক ও তার ছেলে আবুল কালাম আজাদ ওই রাস্তায় চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বেড়া দেন বলে অভিযোগ করেন সেলিম আহমদ। আব্দুল খালিকের চাচাতো ভাই আনিছ মিয়া গত ৫ সেপ্টেম্বর মারা যান। ওই দিন সেলিম আহমদ তার জানাযার নামাজে অংশগ্রহণ করেন ও বক্তব্য দেন। সেলিম আহমদ বলেন, ওইদিন বিরোধপূর্ণ জায়গার দখল, গাছ কাটা ও গাছ চুরির অভিযোগ এনে ৫ সেপ্টেম্বর তিনি ও তার কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনকে আসামী করে মৌলভীবাজার চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেন আব্দুল খালিকের ছেলে আবুল কালাম আজাদ। বিরোধপূর্ণ রাস্তায় চলাচল ও ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবার ১০ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আরো একটি মামলা করেন আব্দুল খালিক। সেলিম আহমদ আরো জানান, ওই মামলায় ঘটনার যে সময় উল্ল্যেখ করা হয়েছে সেই সময় তিনি সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল আয়োজিত একটি কর্মশালায় উপস্থিত ছিলনে। তিনি বলেন, আমার পরিবার ও স্বজনদের বিরোদ্ধে পরপর দুটি মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের সামাজিক মর্যাদাহানী করছেন আব্দুল খালিক ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, শাহ উস্তার উদ্দিন আহমেদ, ডা. জাকির হোসেন মুন্না প্রমুখ। এদিকে আবুল কালাম আজাদ এ প্রতিবেদককে বলেন সেলিম আহমদ সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে য়ে য়ে বিষয় উল্লেখ করেছেন তা মিথ্যা বিত্তিহীন বানোয়াট উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.