
আশরাফ আলী॥ সারাবিশ্বে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এই ভাইরাসের প্রকোপ পড়েছে বাংলাদেশে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন ৫ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ জন, এবং সুস্থ হয়েছেন ১১ জন।
প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজার রয়েছে করোনার ঝুঁকির মধ্যে। করোনার সংক্রমণ এড়াতে মৌলভীবাজার পৌর শহরে বিভিন্ন ধরণের কাজ করে যাচ্ছেন পৌরসভার মেয়র মোঃ ফজলুর রহমান।
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় শুরু থেকেই মেয়রের নেতৃত্বে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন জিনিষ সংযোজন হচ্ছে। পৌরসভার ড্রেন, অলি গলির ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে।
শহরে নাগরিকদের হাত ধৌত করার জন্য রয়েছে ১৪টি স্থান। জীবাণুনাশক ৮টি মেশিন দিয়ে স্প্রে করা হচ্ছে শহরের বিভিন্ন অলিতে গলিতে। এই কার্যক্রম চলবে করোনা ভাইরাস থেকে যতদিন মুক্ত না হয় ততদিন। এমনকি শহরে বিভিন্ন গাড়িতে যাত্রী নামিয়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। পৌরসভার নিজস্ব উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন পাড়ায় পাড়ায় সাবান ও মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার শহরের ভিতরে পৌরসভার আয়োজনে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দিয়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছে। এই কার্যক্রম প্রতিদিন চলতে থাকবে বলে জানান পৌর মেয়র।
মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে লিফলেট বিতরণ থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম মৌলভীবাজার পৌরসভা করে আসছে। পৌরসভার নাগরিকদের প্রতি আমার অনুরোধ একান্ত প্রয়োজন ছাড়া আপানারা বাসা থেকে বের হবেন না। বাসায় থাকুন। সড়কের অলি গলিতে অযথা ঘুরাঘুরি করবেন না। কখন আপনি আক্রান্ত হবেন তা বুঝতে পারবেন না। আপনি আক্রান্ত হলে আপনার পরিবার আক্রান্ত হবে। পরিবার থেকে সমাজ আক্রান্ত হবে। এভাবে পুরো জেলা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়বে। আপনার সচেতনতা পারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে।
তিনি আরও বলেন, প্রবাসী ভাইদের প্রতি অনুরোধ আপানারা ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকুন। বাড়িতে একান্তভাবে একটি ঘরে থাকুন। এখানে আহার করুন। ১৪ দিনের ভেতরে নিজ বাসা থেকে বের হবেন না। এবং ঘরের কারো সাথে মিশবেন না।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.