
কুলাউড়া প্রতিনিধি॥ কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুর পুরাতন মসজিদের সেক্রেটারীর কাছে সভাপতি ও এলাকার জনগণ হিসাব চাইতে গেলে তিনি ও তার সমর্থক আত্মীয়-স্বজন মিলে হামলা চালায়। হামলায় দুইজন মহিলা আহত হবার খবর পাওয়া গেছে। এবিষয়ে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
এলাকাবাসী ও মামলার এজাহারে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে সুলতানপুর পুরাতন মসজিদের হিসাব দিচ্ছেন না সেক্রেটারী আহমেদুর রহমান খান মুরাদ। কমিটির লোকজন বারবার হিসেবে চাইলেও তা তিনি এড়িয়ে যান। এনিয়ে এলাকায় গ্রপিংয়ের সৃষ্টি হয়।
১২ এপ্রিল হঠাৎ করে মুরাদ, তার ভাই, বাবাসহ এলাকার ১৬/১৭ জন লোক মিলে রাশিদ আলীর উপর অতর্কিতে হামলা চালালে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে গিয়ে বাড়িতে আশ্রয়নিলে সেখানেও তারা হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও মহিলারা এগিয়ে আসলে তাদের উপরও অত্যাচার চালায়। এসময় বাড়ির মহিলা আফিয়া বেগম ও রিকিমা বেগম আহত হবার খবর পাওয়া যায়। এদের কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দিয়ে থানায় মামলা করা হয়। খবর পেয়ে কুলাউড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ত্রনে আনে। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এবিষয়ে রাশিদ আলী জানান, তারা সবাই মিলে মুরাদকে সেক্রেটারী বানান মসজিদের উন্নয়নের জন্য। কিন্তু সেক্রেটারী হয়য়ার পর সে বেপরোয়া হয়ে উঠে। এপর্যন্ত মসজিদের প্রায় ১৩ লক্ষ টাকার কোনও হিসেব দিচ্ছেন না। তিনি আরও জানান, মুরাদ এডভোকেট হিসেবে অনেক হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। তিনি এর সুস্থ্য বিচার দাবী করেন।
এবিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি আবু জাবেদ পাপ্পুর সাথে কথা হলে তিনি জানান, তিনি ও আরও কয়েকজনসহ রাশিদ আলীকে নিয়ে তার বাড়ির সামনে পুকুর পাড়ে বসে গল্প করছিলেন, এমতাবস্তায় মুরাদ গংরা অতর্কিতে রাশিদ আলীর উপর হামলা চালালে সে পালিয়ে গিয়ে তার বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়েও মুরাদ গংরা হামলা চালিয়ে তার গেইট ভাংচুরসহ মহিলাদের উপর হামলা চালালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ত্রনে আনে। এবিষয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে আহমেদুর রহমান মুরাদ হামলার কথা স্বীকার করে বলেন, তিনি চিল্লা চিৎকার শুনে সেখানে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন রাশিদ আলী তাকে ও তার আব্বাসহ সবাইকে হুমকি দিচ্ছে। তিনি আরও বলেনে চেয়ারম্যান সাহেবের কথায় তারা থানায় মামলা দিয়েছেন।
এবিষয়ে পৃথিমপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবাব আলী বাখর খান হাসনাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান বিষয়টি নিয়ে তিনি উভয় পক্ষের সাথে কথা বলেছেন সমাধানের জন্য, তবে তিনি কাউকে থানায় গিয়ে মামলা দায়েরের কথা বলেননি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাসুদ আলম বলেন, দুই পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেছে, অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারন বুঝা যাবে। তবে তিনি ঘটনার দিনের কথা স্বীকার করে বলেন, সেদিন উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে এসেছেন।
এলাকার ভূক্তভোগীরা বলেন, বিষয়টির সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.