
মোঃ আব্দুল কাইয়ুম॥ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারনে লকডাউন থাকায় মহাসংকটে মৌলভীবাজারের হাওরাঞ্চলের কৃষক। কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস মাথায় নিয়ে করোনা সংকটের সময়েও আশির্বাদ হয়ে এসেছে বোরো ধানের বাম্পার ফলন। তবে শ্রমিক সঙ্কটের কারনে যথাসময়ে বোরোধান ঘরে তুলা নিয়ে রয়েছে আশঙ্কা।
পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন, মজুদ ও সরবরাহ সরকারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাম্প্রতিক উৎপাদিত বোরো ধান ঘরে তুলতে এবং কৃষককে সর্বাত্মক সাহায্য করতে প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান এর নেতৃত্বে পৌর কাউন্সিলর মনবীর রায় মঞ্জু, কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র ফয়সল আহমদ ও পৌর কাউন্সিলর জালাল আহমদসহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে কৃষকের পাশে দাঁড়ালেন।
বুধবার ২২ এপ্রিল সকাল থেকে রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের অন্তেহরী গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যান নকুল চন্দ্র দাসকে সাথে নিয়ে বোরোধান কাটতে কাস্তে হাতে মেয়র ফজলুর রহমান ও পৌর কাউন্সিলররা ধান কাটা শুরু করেন। এসময় স্থানীয় কৃষকদের সাথে তারাও প্রায় ১২০ শতাংস ভুমিতে বোরোধান কেটে কৃষকের ঘরে ধান তুলতে সহায়তা করেন।
সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য বছর রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের হাওর জুড়েই হাজার হাজার হেক্টর ভুমিতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও এবছর ট্যানেলের পানি না পাওয়ায় সেচ সুবিধা বাঁধাগ্রস্থ হওয়ায় পতিত ভুমি থাকার কারনে ফলন অনেকটা কম হয়েছে।
মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান বলেন, দেশের এই সঙ্কটময় মুহুর্তে লকডাউন থাকার কারনে বাহিরের শ্রমিকরা বোরোধান কাটতে আসতে পারছেননা। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে মৌলভীবাজার পৌরসভার পক্ষ থেকে কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছি।
ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নকুল চšদ্র দাস বলেন, লকডাউনের কারনে বাহিরের শ্রমিক না আসায় অন্তেহরী গ্রামের কৃষক ভ্রমেরেন্দ্র দাস ও শিশির দাস এর বোরোধান ঘরে তুলতে মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান উদ্যেগ নিয়েছেন এবং তিনি নিজেই ধান কেটে কৃষকের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, এবছর ফতেহপুর ইউনিয়নে প্রায় ১৫-২০ হাজার হেক্টর বোরো ধান ফলনের সম্ভানা রয়েছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.