
কুলাউড়া প্রতিনিধি॥ কুলাউড়ায় বৃহস্পতিবার দূপুরে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর তাণ্ডবলীলায় বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগ (বিউবো) কুলাউড়া দপ্তরের আওতাধীন বিদ্যুৎ বিতরণ লাইনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০-২৫টি খুঁটি ভেঙ্গে পড়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামছ-ই আরেফিনসহ বিদ্যুৎ বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারী লাইন মেরামতে মাঠে কাজ করছেন।
কুলাউড়া বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুরে কালবৈশাখীর ঝড়ের কবলে ১১ কেভি উপজেলা হাসপাতাল ফিডারে কুলাউড়া সরকারি কলেজ রোডে বেশ কয়েকটি গাছগাছালি ভেঙ্গে আছড়ে পরে বৈদ্যুৎতিক লাইন ও রাস্তার ওপর। এসময় বিদ্যুৎ লাইন ছিঁড়ে গেলে বেশ কয়েকঘন্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে ও যানচলাচল বন্ধ থাকে। উপজেলা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামছ -ই আরেফিন ও কুলাউড়া ফায়ার সার্ভিসের অফিসার ইনচার্জ মোঃ বেলায়েত হোসেনের তড়িৎ প্রচেষ্টায় রাস্তাটি চলাচলের জন্য সচল করা হয়। তাছাড়া জুড়ী উপজেলায় ৩৩ কেভি ফুলতলা ফিডারের তিতাস ব্রিকস এলাকায় এবং ১১ কেভি কুলাউড়ার ঘাগটিয়া -নার্সারী ফিডারের দত্তরমুড়ী এলাকায় বেশ কয়েকটি বৈদ্যুৎতিক খুটি ভেঙে যায় এবং ঘাগটিয়া প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন এলাকায় ডিস্ক ইন্সুলেটর বিধ্বস্ত হয়ে তাঁর ছিরে মাটিতে পড়ে যায়। ঝড়ের কবলে এসমস্ত ফিডার ছাড়াও অন্য সকল ফিডারেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পিডিপির আওতাধীন কুলাউড়া শহর ও ব্রাহ্মনবাজার ইউনিয়ন ছাড়া উপজেলার বাকি ১২টি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং জুড়ী ফুলতলা ফিডারেও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।
উপজেলা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামছ-ই আরেফিন রাত সাড়ে ১২টায় মুঠোফোনে জানান, কালবৈশাখীর ঝড়ে বিদ্যুৎ বিভাগের অনেক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার ঘাগটিয়া -নার্সারী ফিডারের সমস্ত এলাকাসহ অন্য অধিকাংশ এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করার জন্য কাজ চলমান রয়েছে। আমার সাথে বিদ্যুৎ বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এখন ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় থেকে কাজ করছেন। আগামীকাল দুপুরের মধ্যে সমগ্র এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.