
আব্দুর রব॥ দৃষ্টি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী তাজ উদ্দিন। ঝাঁড়ফুকের আয় দিয়েই কোনোমতে পরিবার চলছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রায় ১ মাস ধরে ঝাঁড়ফুক (কবিরাজি) করতে পারছিলেন না। ফলে আয়রোজগারও বন্ধ হওয়ায় পরিবার নিয়ে তিনি পড়েন বিপাকে। কী করবেন, ভেবে পাচ্ছিলেন না। এরইমধ্যে এক প্রতিবেশী ৩৩৩ নম্বরে কল দিয়ে খাদ্য সহায়তা চাইতে বলেন। এরপর ৩৩৩ নম্বরে কল করে তাজ উদ্দিন নিজের অসহায়ত্বের কথা জানান। সেখান থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরানের কাছে ক্ষুদে বার্তা আসে। এরপর ইউএনও তাজ উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ট্যাগ অফিসারকে পাঠিয়ে তাজ উদ্দিনকে খাদ্য সহায়তা হিসেবে ১০ কেজি ও নগদ ৫০ টাকা দেন। এভাবেই ফোন ও ক্ষুদে বার্তা পেয়ে প্রায় শতাধিক পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান। অনেকের সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবে রাতের বেলা বাড়িতে খাবার পাঠিয়েছেন।
জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে সবকিছু বন্ধ রয়েছে। এতে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। ফলে তাদের আয় রোজগার বন্ধ। এই অবস্থায় তারা পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এতে অনেকেই খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। ফলে নিরুপায় হয়ে অনেকেই হটলাইনে কিংবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে কল ও ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা জানাচ্ছেন। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের খোঁজ নিয়ে তাদের খাদ্য সহায়তা পাঠাচ্ছেন।
ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান জানান, তাজ উদ্দিন হটলাইনে কল করে নিজের অসহায়ত্বে কথা জানান। সেখান থেকে মুঠোফোনে ম্যাসেজ আসে। পরে পারিবারিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়ে তাকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। তিনি বলেন, ক্ষুদেবার্তায় এ পর্যন্ত শতাধিক পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন। তাদের অনেকের সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবে রাতের বেলা বাড়িতে খাবার পাঠিয়ে দিয়েছি।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.