
স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরে (আফরুজগঞ্জ) বাজারে সীমিত আকারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শপিং মলগুলো ১০ মে থেকে খোলা হয়েছে। মার্কেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই স্বাস্থ্যবিধিমানছে না। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়েই কেনাকাটা করছেন লোকজন। অধিকাংশ ক্রেতা নাড়ী ও শিশু।
মার্কেটে গিয়ে দেখা গেছে সীমিত পরিসরে মার্কেট খোলার পর বিপণি বিতান এমনকি অলিগলিতে উপচে পড়া ভিড়।
এতমানুষের ভিড়ে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে সচেতন মহল। গত কিছুদিন যাবত এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদ করা হচ্ছে , তাদের দাবি এভাবে ঘর থেকে মানুষ বের হয়ে সামাজিক দূরত্ব আর স্বাস্থ্যবিধি পরিপন্থীভাবে চললে করোনারসংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে করোনা আক্রান্তের পাল্লাও ভারী হবে। জায়গায় জায়গায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে পুলিশ, সেনাবাহিনী টহল থাকলেও সাধারণ মানুষ তা মানছেন না।
বিশেষজ্ঞদের মতে মে মাস করোনা আক্রান্তের জন্য পিক টাইম। আর জুন থেকে এটা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। আরও যদিএকমাস দেশে লকডাউন থাকতো তাহলে প্রাথমিকভাবে এই ভয়াবহতা বা বিপর্যয় থেকে আমরা কাটিয়ে উঠতে পারতাম। কিন্তুএখন যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। লকডাউন যখন ছিল তখনই সেটাই মানুষ পালন করেছে শিথিলভাবে। আর এখন লকডাউনশিথিল করা হয়েছে তাতে মানুষ যেভাবে চলছে তাতে মনে হচ্ছে করোনা একটি গুজব।চলতি মাস লকডাউন থাকলে আমরাসুফলটা পেতাম।
স্হানীয় বাসিন্দা অনেকেই বলেন লকডাউন শিথিল করার মানে স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে ডেকে নিয়ে আসা। কারণ এমনিতেই সাধারণমানুষ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছে না। দোকান আর শপিং মলে মানুষ গা ঘেঁষে চলাচল করছে। তাতে করোনা মহামারির আকারধারণ করবে। সরকার যদি এই মুহূর্তে কঠোর পদক্ষেপ না নেয় তাহলে আমাদের মৌলভীবাজার জেলাসহ সারা দেশ মৃত্যুপুরীতেরূপান্তির হবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.