
এম. মছব্বির আলী॥ কুলাউড়া ও জুড়ীতে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করায় দুই গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। ২৯ জুন সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ) কুলাউড়া অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মফিজ উদ্দিন খানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে এই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
কুলাউড়া পিডিবি অফিস সূত্রে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার বাদে মনসুর এলাকায় মায়নুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন থেকে মিটার বাইপাস করে অবৈধভাবে কারচুপির আশ্রয় নিয়ে বাসার ফ্রিজ, ফ্যান, লাইট এবং পানির মটরে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আসছিলেন। এমন অভিযোগ গোপন সূত্রে জানতে পারে বিদ্যুৎ বিভাগ।
সোমবার বিদ্যুৎ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মফিজ খানের নেতৃত্বে বিদ্যুতের মিটার পরিদর্শনের সময় এই অনিয়ম দেখতে পান। মায়নুল হোসেন কর্তৃক অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ায় তাঁর সংযোগটি তাৎক্ষণিক বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। এদিকে জুড়ী উপজেলার পূর্ব বেলাগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মোস্তাকিন মিয়া দীর্ঘদিন থেকে নিজের মিটার থেকে বাইপাস করে দুটি অটোরিকশায় চার্জ দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আসছিলেন। পরে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন তার সংযোগটিও বিচ্ছিন্ন করে দেয়। অভিযান পরিচালনাকালে কুলাউড়া বিদ্যুৎ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, লাইনম্যান হেলাল মিয়া, ফারুক আহমেদ, মিটার রিডার রুবেল মিয়াসহ কারিগরী কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে কুলাউড়া বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামছ-ই-আরেফিন এই প্রতিবেদককে বলেন, অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধ করা ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রায়শই দেখা যায় যে অনেক গ্রাহক ফ্রিজ, পানির মটর, বিশেষ করে এসিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সময় কারচুপির আশ্রয় নিয়ে থাকেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক বলে তিনি অবহিত করেন। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.