
স্টাফ রিপোর্টার॥ কমলগঞ্জ থানার ১ নং রহিম পুর ইউনিয়নের মধ্য কালেঙ্গা গ্রামের শিরিয়া বেগম স্বামী আলাউদ্দীন তিনি জানান পুর্বে আমি মাননীয় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট ৩ নং আমল আদালত মৌলভীবাজার গত ০৬/০৫/২০২০ ইং তারিখে ঘটনার প্রেক্ষিতে আমি বাদী হয়ে আসামী মনর মিয়া গং দের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর উক্ত মামলা এজহার হিসেবে গন্য হলে ও জি . আর মামলা ১৩৬/২০২০ ইং রেকর্ড ভোক্ত হয়।

বিগত ০৬/০৮/২০২০ আসামি রাজিনা বেগমের স্বামী মনর মিয়া বিজ্ঞ আদালতে জি আর মামলার জামিনের পার্থনা করিলে জামিন না মন্জুর হওয়ার কারনে বিবাদীগনের বাড়ি ও আমার বাড়ি পাশা পাশি থাকায় আসামি মনর মিয়া জেল হাজতে থাকার কারনে আমাদের ক্ষতি করার লক্ষ্যে বিবাদীগন আমার বাড়িতে আসামি রাজিনা বেগমের হুকুমে এসে আমার খড়ের ঘরে আগুন দেয় তখন আমার মেয়ে দেখতে পেলে রাজিনা বেগম ও জুলেখা বেগম আমার মেয়েকে টানা হেচড়া শুরু করে এবং ১নং বিবাদি আমার মেয়ের লজ্জা স্থানে হাত দেয় এবং ২নং বিবাদি পর পর লাতি মারতে থাকে ও ৩নং বিবাদি আমার মেয়েকে লাটি দ্বারা আঘাত করতে থাকলে আমার মেয়ে মাটিতে পড়ে হাল্লা চিৎকার করতে লাগলে স্বাক্ষিগন এসে আসামিদের কে বাধা নিষেধ করলে আসামীগন ভয় ভীতি দেখাইয়া চলে যায়।এবং ঘটনা স্হল থেকে ১নং স্বাক্ষিনিকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপালে এনে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়ার পর হাসপাতাল থেকে ছার পত্র পাপ্ত হওয়ার পর অদ্য মামলা দায়ের করিলাম। আসামিগন ১.তানিম(১৮) পিতা গিয়াস মিয়া ২. ফুরুক মিয়া (২৫)পিতা মন্নাফ মিয়া ৩ ফাইম মিয়া (১৮)পিতা মনর মিয়া ৪ রাজিনা বেগম(৪০)স্বামী মনর মিয়া ৫ জুলেখা বেগম (৩২) স্বামী লুৎফুর মিয়া সর্ব সাং কালেঙ্গা থানা কমলগঞ্জ। বিজ্ঞ আদালতের প্রতি আমার আবেদন মামলা আমলে নিয়ে বিবাদি গনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা (ওয়ারেন্ট) এর আদেশ দিয়ে আসামীগনকে জেল হাজতে রাখিয়া সুবিচার করিতে মর্জি হয়।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.