
আউয়াল কালাম বেগ॥ রাজনগর উপজেলার কান্দিগাঁও গ্রামের কয়েশ আহমদ (৫০) এর বিরুদ্ধে ফ্রান্সে পাঠানোর কথা বলে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাৎসাতের বিষয়ে রায়হান আহমদ কর্তৃক সংবাদ সম্মেলনে আনিত অভিযোগ ২৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাজনগর প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে যা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট এর তীব্র প্রতিবাদ করেছেন কায়েশ আহমেদ।
রাজনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কয়েশ আহমেদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদ আহমদ, বসর মিয়া ও ফরহাদ আহমদ। লিখিত বক্তব্য কয়েশ মিয়া বলেন আমিত দুরের কথা আমার এলাকার কিংবা আমার চৌদ্দ গোষ্টির কেউ আমার জানামতে মানব পাচারের সাথে জরিত নয়। তিনি বলেন বালাগঞ্জ উপজেলার হরিশ্যাম গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রায়হান আহমদ রাজনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বলেন আমি নাকি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে লোকজন পাঠাই মর্মে রায়হান আহমদের ভাই ফ্রান্স প্রবাসী বুরহান উদ্দিনের স্ত্রীকে ফ্রান্স পঠানোর কথা বলে ১৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছি। যা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। কয়েশ আহমদ বলেন উভযের পরিচিত ব্যাক্তি , হাবিবুর রহমান সুজনের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরের সর্দারপাড়া এলাকায়। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সিলেট সদরের বোরবোরিপাড়া এলাকায় বসবাস করছেন। কয়েকবছর আগে তার নিজস্ব এক্সেভেটর মেশিন নিয়ে মাটি কাটতে উপজেলার উত্তরভাগ ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামে আসলে তার সাথে পরিচয় হয় লিয়াকত আলী ও কয়েশ আহমদের। উভয়ের পূর্বোপরিচিত হয়ায় মধ্যস্ততাকারী হিসেবে রাখা হয় আমাকে(কয়েশ আহমদ)।হাবিবুর রহমান সুজনের সাথে ফ্রান্স প্রবাসী বুরহান উদ্দিনের স্ত্রী খাদিজা আক্তার সীমাকে তার প্রবাসী স্বামী বুরহান উদ্দীনের নিকট পাঠানোর জন্য সীমার বাবা উমরপুর গ্রামের লিয়াকত মিয়া লেবু ও সীমার দেবর বালাগঞ্জ উপজেলার হরিশ্যাম গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রায়হান আহমদ কথা বার্তা পাঁকা করেন।
কয়েশ আমদ বলেন আমার সহোদররা ফ্রান্সে বসবাস করেন বলে আমাকে মধ্যস্থতাকারী বা মিডিয়া হিসাবে টাকা পয়সা আমানত রাখা সহ সকল প্রকার কথা বার্তায় থাকতে এলাকার মানুষের সমিলে আমাকে নানা ভাবে অনুরোধ করেন লিয়াকত মিয়া লেবু ও রায়হান আহমদ পরে তাদের প্রস্তাবে রাজি হই। কয়েকদিন পর হাবিবুর রহমান সুজন সীমা ও তার দেবর রায়হান আহমদকে ফ্রান্সের ভিসার জন্য ভারতে নিয়ে যান। ভারত থেকে সীমা ,হাবিবুর রহমান সুজন ও রায়হান আহমদ ফ্রান্সে স্বামীর কাছে যাওয়ার জন্য সীমার ভিসা হয়েছে বলে আমাকে জানান। এবং আমার কাছে আমানত রাখা তাদের টাকা সুজনকে দিয়ে দিতে বলেন পূর্বের চুক্তি অনুসারে আমার কাছে তাদের গচ্ছিত টাকা হাবিবুর রহমান সুজন প্রদেয় একাউন্ট Brac bank Gi k.N Garments Accessories A/C
১১০৫২০৩৭৩৮১৩১০০১ আছাদগঞ্জ শাখায় ০৯/০৯/২০২০ইংতারিখে ৮,০০০০০/-(আট লক্ষ) টাকা, হাবিবুর রহমান সুজন নামীয় Dutch Bangla Bank A/C ১২১১৫১৭১০৩২ সিলেট শাখায় ২৩/০৯২০১৮ ইং তারিখে ৪,০০০০০ (চার লক্ষ) টাকা Ges U.C.B Bank
জয়দেব কুমার শীল নামিয় আরো একটি চেক অ/প ০৩২৩২০১০০০০০৬৪০৮ বরিশাল শাখায় ০৮/১০/২০১৮ইং তারিখে ২,০০০০০/-(দুই লক্ষ) জমা দানের জন্য বলে। আমি লিয়াকত মিয়া লেবুকে সাথে নিয়ে উল্লেখিত তিনটি একাউন্টে আমার কাছে গচ্ছিত ১৪,০০০০০(চৌদ্দ লক্ষ) টাকা জমা দেই। পরে দেখা যায় হাবিবুর রহমান সুজন, রায়হান আহমদ ও খাদিজা আক্তার সীমা বাংলাদেশে চলে আসে। এর পরবর্তিতে আবারও জানাযায় আবার ফ্রান্সে ফ্লাইট করার উদ্দেশ্যে সীমাকে নিয়ে রায়হান ও সুজন ভারত গমন করেন এবং পাঞ্জাবের অমৃতসর বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ পাসপোট ভিসা বেরিপাই করে দেখা যায় যে ভিসা জাল। তারা দেশে ফিরে এসে আমার কাছে বিভিন্ন ভাবে চৌদ্দ লক্ষ টাকা দাবী করলে আমি অবাক হয়ে যাই এবং টাকা দিতে অসম্মতি জানালে তারা আমার কাছে ৫,০০০০০/-(পাচ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবী সহ এই চক্র আমাকে ফাসিয়ে অর্থ আদাযের হীন তৎপরতায় লীপ্ত হয়েছে তাই আমি আমার ব্যাক্তিগত ও পারিবারিক সুনাম রক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে মৌলভীবাজারের সিনিওর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৬জনকে আসামী করে মামলা করি সি আর নং১৮২/২০২০ বর্তমানে তদন্তাদীন আছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.