
ইমাদ উদ দীন॥ মৌলভীবাজার পৌর শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের কৃষি-মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে কোদালী ছড়ার অবশিষ্ট অংশ খননের কাজ চলছে।
সদর উপজেলার গিয়াসনগর ইউনিয়নের ভূজবল অফিস বাজার এলাকা থেকে সিকরাইল পর্যন্ত সাড়ে ৪ কিলোমিটার কাজের অগ্রগতি দেখতে সরজমিনে সিকরাইল এলাকায় যান মৌলভীবাজার পৌরসভার পুন:রায় নির্বাচিত মেয়র আলহাজ মোঃ ফজলুর রহমান। এসময় তিনি স্থানীয় উপকারভোগী লোকজন ও সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথা বলে চলমান এই খনন কাজ পরিদর্শন করে সার্বিক খোঁজ খবর নেন।
মঙ্গলবার ২ ফেব্রুয়ারি দূপুরে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে পরিদর্শন শেষে খনন কাজের অগ্রগতি, কাজের মান ও সার্বিক খোঁজ খবর নেন তিনি। এসময় কাজের অগ্রগতি দেখে মেয়র সন্তোষ প্রকাশ করে এভাবেই অবশিষ্ট কাজেরও গুণগতমান বজায় রাখারও তাগিত দেন। পরিদর্শনকালে তার সাথে ছিলেন মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড এর নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আক্তারুজ্জামান (ফরহাদ), সাংবাদিক সৈয়দ হুমায়েদ আলী শাহীন, আকমল হোসেন নিপু, তমাল ফেরদৌস দুলাল, মু. ইমাদ উদ দীন ও মোঃ আব্দুল কাইয়ুম প্রমুখ।
উল্লেখ্য ২০ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে দেশের ৬৪ জেলা নদী, খাল, জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে কোদালী ছড়া খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়। জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে এ খনন কাজের উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রকাশ কৃষ্ণ সরকার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান,পানি উন্নয়ন বোর্ড এর নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান এক কোটি চার লাখ টাকা ব্যয়ে কোদালী ছড়া খালের সাড়ে চার কিলোমিটার পুনঃখনন করা হবে। সেই সঙ্গে দখল মুক্ত হবে কোদালী ছড়া। ছড়ার পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে। উপকৃত হবেন এলাকাবাসী চাষী ও মৎস্যজীবীরা। আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে ছড়াটির খনন কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.