
প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ॥ প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চুরি হতে থাকলে পাইকারী দোকানদার সিসি টিভি ফুটেজ দেখে মালামালসহসহ চোরকে সনাক্ত ও হাতে নাতে আটক করে। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শমশেরনগর স্টেশন সড়কস্থ ইয়াকুব এন্ড সন্স পাইকারী দোকানে ১৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার সকাল ৯টায় মালামালসহ চোর মাহাদি আহমেদকে (২২) আটক করা হয়। সে একই ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের মো. জুবের আহমেদের ছেলেন।
ইয়াকুব এন্ড সন্স-এর মিজানুর রহমান বলেন, মাহাদি তাদের দোকানের একজন পাইকারী খদ্দের। সে নিয়মিত এ দোকান থেকে পাইকারী দামে মালামাল কিনে তার গ্রামের দোকানে নিয়ে বিক্রি করে। গত এক সপ্তাহ ধরে সকালে যখন বৃদ্ধ ইয়াকুব মিয়া দোকানে একা থাকেন সে সুযোগে মাহাদি মালামাল কিনতে আসে। তখন প্রতারনা করে ইয়াকুব মিয়াকে দোকানের পিছনে কিছু মালামাল ওজনের জন্য পাঠায়। অন্য দিকে দোকানের সামনে থেকে বিভিন্ন জাতের সিগারেটসহ কিছু মালামাল চুরি করে বস্তায় ভরে নিয়ে যায়। গত কয়েকদিন ধরে দোকানের কিছু মালামাল কমতি টের পেয়ে রোববার দোকানের সিসি টিভি ফুটেজ চেক করে দেখা যায় ক্ষুদে দোকানী মাহাদি আহমেদ মালামাল চুরি করে নিচ্ছে।
অবশেষে পুর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মাহাদি ইয়াকুব এন্ড সন্স-এ এসে আবার আগের মত প্রতারনা শুরু করলে দোকানের বাহিরে থাকা ওৎ পেতে থাকা লোকজন এসে চুরি করা মালামালসহ হাতেনাতে চোর মাহাদিকে আটক করে। মাহাদির পারিবারিকি অনুরোধে চুরি করে নেওয়া সমস্ত মালামালের মূল্য প্রদানের অঙ্গিকার করায় তাকে (মাহাদিকে) ছেড়ে দেওয়া হয়।
এব্যাপারে শমশেরনগর বণিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান বলেন, ইয়াকুব এন্ড সন্সের মালিক হাতে নাতে ধরে চোরকে ছেড়ে দেওয়া ঠিক হয়নি। তাকে পুলিশে সোপর্দ করা উচিত ছিল।
শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শাহ আলম বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তবে দোকানদার কোন অভিযোগও করেনি আর ধৃত চোরকে সোপর্দ করেনি। তারপরও যদি কেউ অভিযোগ করে তখন পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
তবে ঘটনা সম্পর্কে অভিযুক্ত মাহাদির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া তার পরিবারের কেউ এ নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.