
কুলাউড়া প্রতিনিধি॥ সমাজের সুবিধাবঞ্চিত (পথশিশু, এতিম ও দু:স্থ) শিশুদের সাথে ঈদুল ফিতরের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নিতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় কালের কণ্ঠ শুভসংঘের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত ৬০ জন শিশুকে ঈদের নতুন কাপড় বিতরন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৩ মে বিকেল ৪টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত ঈদ বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ কুলাউড়া শাখার সভাপতি উপাধ্যক্ষ মো. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মহি উদ্দিন রিপনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ একেএম সফি আহমদ সলমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিনয় ভূষণ রায়, মৌলভীবাজার জেলা সাংবাদিক ফোরামের সহ-সভাপতি ও শুভসংঘের উপদেষ্ঠা এম. মছব্বির আলী, সাপ্তাহিক আমার কুলাউড়ার সম্পাদক মো. জীবন রহমান, প্রবাসী কমিউনিটি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ আব্দুস শহীদ জুবের। স্বাগত বক্তব্যে দেন কালের কণ্ঠ প্রতিনিধি ও শুভসংঘের উপদেষ্ঠা মাহফুজ শাকিল।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শুভসংঘের ক্রীড়া সম্পাদক রুমেল আহমদ চৌধুরী, সদস্য মো. সালাউদ্দিন, সাপ্তাহিক কুলাউড়ার ডাক পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার রাসেল আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা তানিম ইকবাল চৌধুরী, রিপন বখ্শ প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে কুলাউড়া পৌরসভার সুবিধাবঞ্চিত ২৫ জন শিশুর হাতে ঈদের নতুন কাপড় তুলে দেন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত সকল অতিথিবৃন্দ সহ শুভসংঘের বন্ধুরা। এছাড়া শুভসংঘের বন্ধুদের মাধ্যমে উপজেলার সদর ইউনিয়ন, কাদিপুর, রাউৎগাঁও, কর্মধা ও ভূকশিমইল ইউনিয়নে আরো ৩৫ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর কাছে ঈদের নতুন কাপড় পৌছে দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান ও বিশেষ অতিথি ইউএনও এটিএম ফরহাদ চৌধুরী কালের কণ্ঠ শুভসংঘের এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ঈদের আনন্দকে একটি শ্রেণীর মানুষের কাছে সীমাবদ্ধ না রেখে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের খোঁজে খোঁজে বের করে তাদের মাঝে ঈদের নতুন কাপড় তুলে দিয়ে শুভসংঘের বন্ধুরা যে দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে তা অনেক প্রশংসার দাবি রাখে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.