
স্টাফ রিপোর্টার॥ কুদালী ছড়ার পৌর এলাকার বাহিরে গ্রাম এলাকায় বিশাল কচুরিপানার স্তুপের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে শহর এলাকার কয়েকটি স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে বাসা বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের মধ্যে সমন্নয় না থাকায় হঠৎ বৃষ্টি আসলে কচুরিপানার স্তুপের করনে পৌর সভা অংশে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা।
শনিবার ৫ জুন সকাল থেকে কচুরিপানার অপসারণ করতে পৌর মেয়র ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে ২০ জন শ্রমিক নিয়ে শহর অংশে পলিথিন ও প্লাষ্টিক সামগ্রী অপসারণের কাজ করেন। পরে পৌর এলাকার বাহিরে মোস্তফাপুর ও গিয়াসনগর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর, কাইঞ্জার হাওর, আজমেরু, ভুজবল ও অফিসের বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে কুদালী ছড়ার স্থানে স্থানে কচুরীপানার স্তুপ অবসারণের কাজ চালান।
পৌর মেয়র মোঃ ফজলুর রহমান জানান, মোস্তফাপুর, গিয়াসনগর ইউনিয়ন ও পৌর সভার মধ্যে সমন্নয়ে কাজ করলে কচুরীপানার স্তুপ কোন ভাবেই লেগে থাকতো না। শীঘ্রই পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থায়ী পদক্ষেপ নেয়া জরুরী প্রয়োজন বলে তিনি জানান।
এদিকে এই কচুরীপোনা সরানোর বিষয়ে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান জানান, সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, এলজিইডি ও পৌরসভা কতৃপক্ষ সবাই মিলে একটি বৈঠকের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। শহরবাসী যাতে এই বর্ষায় জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পান সেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মৌলভীবাজার শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত কোদালীছড়াটি বর্ষা মৌসুমে শহরবাসীর দুর্ভোগের কারণ হলে বর্তমান মেয়রের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে ছড়াটিতে অবাধ পানি প্রবাহ নিশ্চিত করে গত কয়েকবছর শহরের বাসাবাড়িতে পানি ওঠা বন্ধ ছিল।
এবার ছড়ার পৌর এলাকার বাহিলে নীচু এলাকায় বিশাল কচুরিপানার স্তুপ তৈরী হওয়ায় এক রাতের বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছেন অনেকেই।
এবিষয়ে মৌলভীবাজারের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ জানান, জেলা প্রশাসক, মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথা হয়েছে। রোববার সকলের সমন্বয়ে বৈঠক হবে। পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে বৈঠকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.