
বিকুল চক্রবর্তী॥ রাজনগর উপজেলার জলের গ্রাম অন্তেহরি ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাদিপুর গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি গত ৮ বছর ধরে ভেঙ্গে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
যা পুরো রাস্তাটিই এখন চলাচলের অযোগ্য। এ অবস্থায় মানুষকে পোহাতে হয় চরম দূর্ভোগ। সংশ্লিষ্টদের কাছে ধর্না দিয়েও কোন ফলাফল হয়নি। চলমান বর্ষায় রাস্তার জন্য এ দুই গ্রামের মানুষ বন্দিবস্থায় রয়েছেন। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার ১৫ জুলাই দিনব্যাপী রাজনগর ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নকুল চন্দ্র দাশের নেতৃত্বে দুই গ্রামের শতাধিক মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে পলিমাটি ও ভাঙ্গা ইট দিয়ে দেড় কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করেন।
ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নকুল চন্দ্র দাশ বলেন, এটি জলের গ্রাম হিসেবে খ্যাত। ফলে এখানে প্রচুর পর্যটকের আগমন ঘটতো কিন্তু রাস্তার জন্য পর্যটকরা এ গ্রামে আসতে পারেছেন না। এ দুই গ্রামের মানুষ কাউয়াদিঘি হাওর থেকে শত শত টন ধান তুলেন, কোটি কেটি টাকার মাছ ধরে ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। যে কারনেই গ্রামে প্রচুর যানবাহন আসতে হয়। পরিবহনের কারনে তারা নায্যমুল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্বেচ্ছাশ্রমে অংশনেয়া গ্রামের বাসিন্দা দিজেন্দ্র দাশ বলেন, দুই গ্রামে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের বসবাস। এই মানুষদের জেলা ও উপজেলা শহরের শহরের সাথে যোগযোগের একমাত্র রাস্তা এটি।এটি ভাঙ্গা চুরা থাকায় পায়ে হাঁটাই একমাত্র অবলম্বন।
গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষক পুলক দাশ জানান, এই গ্রামে ৩টি প্রাইমারী স্কুল ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। রাস্তার জন্য শিক্ষার্থীদের দূর্ভোগ পোহাতে হয়। গ্রামবাসী একটি স্থায়ী রাস্তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্শন করেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.