টক অবদি মৌলভীবাজার উপাধ্যক্ষ শহীদ এখন কি পদ পাচ্ছেন ? উৎকন্ঠায় শহীদ সমর্থক নেতাকর্মীরা

January 18, 2014, এই সংবাদটি ৮৮ বার পঠিত

১৯৯১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে শুরু করে ২০১৪ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ৫ বার মৌলভীবাজার-৪ আসনে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন উপাধ্যক্ষ্য এম এ শহীদ। একবার বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও সর্বশেষ সরকার দলীয় চিফ হুইপ নির্বাচিত হন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রী পরিষদ গঠন হলে মৌলভীবাজার-৩ আসনের সাংসদ সৈয়দ মহসীন আলীকে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী নির্বাচিত করা হলে টক অব দি মৌলভীবাজার সাংসদ শহীদ এখন কি পদ পাচ্ছেন? এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা গুঞ্জনের মাঝে উৎকন্ঠায় আছের শহীদ সমর্থকরা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৌলভীবাজার-৩ আসনের দলীয় সাংসদ ত্যাগী নেতা সৈয়দ মহসীন আলীকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মনোনিত করেন। এ ঘটনায় মৌলভীবাজার পৌরসভার তিনবারের চেয়ারম্যান সাবেক জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সর্বজন শ্রদ্ধেয় বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংসদ সৈয়দ মহসীন আলী পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলে মৌলভীবাজারের ৭টি উপজেলার তৃণমূল নেতাকর্মীরা খুশীতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে।

বিগত ৫ বছরে স্ত্রীর সম্পদ বৃদ্ধির সাথে সাথে কমলগঞ্জে ঠিকাদারী কাজ, থানা পুলিশ নিয়ন্ত্রণ এমনকি উপজেলা আওয়ামীলীগের পুরো নিয়ন্ত্রণ চলে যায় সাংসদ উপাধ্যক্ষ এম শহীদের ছোট ভাইদের হাতে। আওয়ামীলীগের ভোট ব্যাংক চা শ্রমিক ভোটাররাও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কার্যালয় লেবার হাউজ দখল করে নিয়েছিলেন সাংসদ শহীদের ঘনিষ্টজন বিজয় প্রসাদ বুনার্জির হাতে। ফলে বিগত ৫ বছর ধরে সাধারন চা শ্রমিকরা নির্যাতিত হয়ে ক্ষোব্দ সাংসদ শহীদের উপর। তাছাড়া গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত ও দলীয় দুই দফা তদন্তে আওয়ামীলীগের হাই কমান্ডে বিতর্কিত হয়ে পড়ের তিনি। ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন পদ না দিয়ে মৌলভীবাজার-৩ আসনের দলীয় সাংসদ ত্যাগী নেতা সৈয়দ মহসীন আলীকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মনোনিত করেন।

দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও নানা পেশার মানুষের সাথে কথা বললে সবারই একটি প্রশ্ন সাংসদ শহীদ এখন কি পদ পাচ্ছেন ? সাংসদ উপাধ্যক্ষ শহীদের ঘনিষ্টজন ও সমর্থকদের বেশ উৎকন্ঠার মাঝে থাকতে দেখা গেছে। এ উৎকন্ঠার মাঝে তারা বলেন, দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদকে স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার মনোনিত করতে পারে। কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুর রহমান বলেন দেখা যাক সব শেষে কি হয় ? তবে তিনি বলেন সব কিছু নির্ভর করছে নেত্রী শেখ হাসিনার উপর। তাদের বিশ্বাস শেখ হাসিনা উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদকে অবশ্যই ভাল একটি পদে মনোনিত করবেন।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূল পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী বলেন, দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দূর্ণীতি ও অনিয়মের এত দলিলপত্র থাকার পর আর উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদকে শুধু সাংসদ হিসাবে রাখবেন। সাংসদ উপাধ্যক্ষ শহীদকে আবারও মন্ত্রী পর্যায় পদ দিলে মৌলভীবাজার-৪ আসনে আবারও দূর্ণীতি ও অনিয়ম করবেন তাঁর ভাইসহ ও ঘনিষ্টজনরা। তাদের সরাসরি যুক্তি মৌলভীবাজার জেলায় একজন পূর্ণ মন্ত্রী দেওয়া হয়েছে। এখানে মন্ত্রী বা মন্ত্রীর মর্যাদায় আর কাউকে মনোনিত করার কোন সুযোগ নেই। চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক রাম ভজন কৈরী প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সৈয়দ মহসীন আলী পূর্ণ মন্ত্রী হওয়ায় সাধারন মানুষজনের পাশাপাশি ও চা শ্রমিকদের আশা আখাঙ্কার প্রতি ফলন হয়েছে।

 

১৯৯১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে শুরু করে ২০১৪ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ৫ বার মৌলভীবাজার-৪ আসনে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন উপাধ্যক্ষ্য এম এ শহীদ। একবার বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও সর্বশেষ সরকার দলীয় চিফ হুইপ নির্বাচিত হন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রী পরিষদ গঠন হলে মৌলভীবাজার-৩ আসনের সাংসদ সৈয়দ মহসীন আলীকে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী নির্বাচিত করা হলে টক অব দি মৌলভীবাজার সাংসদ শহীদ এখন কি পদ পাচ্ছেন? এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা গুঞ্জনের মাঝে উৎকন্ঠায় আছের শহীদ সমর্থকরা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৌলভীবাজার-৩ আসনের দলীয় সাংসদ ত্যাগী নেতা সৈয়দ মহসীন আলীকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মনোনিত করেন। এ ঘটনায় মৌলভীবাজার পৌরসভার তিনবারের চেয়ারম্যান সাবেক জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সর্বজন শ্রদ্ধেয় বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংসদ সৈয়দ মহসীন আলী পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলে মৌলভীবাজারের ৭টি উপজেলার তৃণমূল নেতাকর্মীরা খুশীতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে।

বিগত ৫ বছরে স্ত্রীর সম্পদ বৃদ্ধির সাথে সাথে কমলগঞ্জে ঠিকাদারী কাজ, থানা পুলিশ নিয়ন্ত্রণ এমনকি উপজেলা আওয়ামীলীগের পুরো নিয়ন্ত্রণ চলে যায় সাংসদ উপাধ্যক্ষ এম শহীদের ছোট ভাইদের হাতে। আওয়ামীলীগের ভোট ব্যাংক চা শ্রমিক ভোটাররাও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কার্যালয় লেবার হাউজ দখল করে নিয়েছিলেন সাংসদ শহীদের ঘনিষ্টজন বিজয় প্রসাদ বুনার্জির হাতে। ফলে বিগত ৫ বছর ধরে সাধারন চা শ্রমিকরা নির্যাতিত হয়ে ক্ষোব্দ সাংসদ শহীদের উপর। তাছাড়া গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত ও দলীয় দুই দফা তদন্তে আওয়ামীলীগের হাই কমান্ডে বিতর্কিত হয়ে পড়ের তিনি। ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন পদ না দিয়ে মৌলভীবাজার-৩ আসনের দলীয় সাংসদ ত্যাগী নেতা সৈয়দ মহসীন আলীকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মনোনিত করেন।

দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও নানা পেশার মানুষের সাথে কথা বললে সবারই একটি প্রশ্ন সাংসদ শহীদ এখন কি পদ পাচ্ছেন ? সাংসদ উপাধ্যক্ষ শহীদের ঘনিষ্টজন ও সমর্থকদের বেশ উৎকন্ঠার মাঝে থাকতে দেখা গেছে। এ উৎকন্ঠার মাঝে তারা বলেন, দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদকে স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার মনোনিত করতে পারে। কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুর রহমান বলেন দেখা যাক সব শেষে কি হয় ? তবে তিনি বলেন সব কিছু নির্ভর করছে নেত্রী শেখ হাসিনার উপর। তাদের বিশ্বাস শেখ হাসিনা উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদকে অবশ্যই ভাল একটি পদে মনোনিত করবেন।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূল পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী বলেন, দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দূর্ণীতি ও অনিয়মের এত দলিলপত্র থাকার পর আর উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদকে শুধু সাংসদ হিসাবে রাখবেন। সাংসদ উপাধ্যক্ষ শহীদকে আবারও মন্ত্রী পর্যায় পদ দিলে মৌলভীবাজার-৪ আসনে আবারও দূর্ণীতি ও অনিয়ম করবেন তাঁর ভাইসহ ও ঘনিষ্টজনরা। তাদের সরাসরি যুক্তি মৌলভীবাজার জেলায় একজন পূর্ণ মন্ত্রী দেওয়া হয়েছে। এখানে মন্ত্রী বা মন্ত্রীর মর্যাদায় আর কাউকে মনোনিত করার কোন সুযোগ নেই। চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক রাম ভজন কৈরী প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সৈয়দ মহসীন আলী পূর্ণ মন্ত্রী হওয়ায় সাধারন মানুষজনের পাশাপাশি ও চা শ্রমিকদের আশা আখাঙ্কার প্রতি ফলন হয়েছে।

 

 à¦à¦® শাহজাহান আহমদ॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •