কমলগঞ্জে টানা বর্ষণ : ধলাই নদীর পার ধ্বসে পড়ছে ॥ একাধিক ভাঙনের ঝুঁকি

April 7, 2016, এই সংবাদটি ২৩৪ বার পঠিত

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ধলাই নদীর পুরানো ভাঙন ও নতুন করে ভাঙনের ঝুঁকি রয়েছে। ধলাই নদীপারের বসতি পরিবারের লোকজন ও জরুরী আসবাবপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভাঙনের ঝুঁকি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। সরজমিন দেখা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাদে করিমপুর ও সুরানন্দপুর এলাকায় ধলাই নদীর পার ভাঙনের ঝুঁকি রয়েছে। যেকোন সময় ভাঙন দিতে পারে।  মঙ্গলবার বিকালে বাদে করিমপুর ও সুরানন্দপুর গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, প্রবণ বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে ধলাই নদীর বিভিন্ন স’ানে পার ধ্বসে পড়ছে। গ্রামের নানু মিয়া, ইমান উল্ল্যা, কনা মিয়া, খলিল মিয়া, আবাছ মিয়া, আব্দুল্লাহ, সাদিক মিয়া, আরমান মিয়া হারুন মিয়া, আয়াত মিয়া, আমির মিয়া, মনির মিয়া, কছির মিয়াসহ একাধিক নারী ও পুরুষ জানান, সর্বনাশা ধলাই নদীর কারণে বাড়ী ঘর পরিবার পরিজন নিয়ে আতংকের মধ্যে রয়েছে। প্রবল বর্ষণে যখন ধলাই পার ধ্বসে ধ্বসে পড়ে তখন বিরাট আতংকের মধ্যে থাকতে হয়। কখন এসে পানির ঢলে গ্রাস করে ফেলে। বাদে করিমপুর ও সুরানন্দপুর এলাকার অনেক পরিবার জরুরী আসবাবপত্র ও পরিবার নিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। স’ানীয় ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল মনাফ ও মোবারক মিয়া জানান, প্রবল বর্ষণে প্রতিবছর এই এলাকায় বাঁধ ভাঙন দেয়া দেয়। জরুরী ভিত্তিতে স’ায়ী বাঁধ দিয়ে এলাকাবাসীকে ধলাই নদীর হাত থেকে বাঁচাতে হবে। ধলাই নদী ভাঙন দিলে এলাকায় প্রায় ১৫/১৬টি পরিবারের বাড়ী ঘর একেবাওে তলিয়ে যাবে। ক্ষতিগ্রস’ ও তলিয়ে যাবে বাদে করিমপুর, সুরানন্দপুর, বাসুদেবপুর, মইডাইল, ধাতাইগাঁও, উবহাটা, জালালাপুর, ভূমিগ্রাম, পরানধর, মুন্সীবাজার ইউনিয়ন ও পতনঊষার ইউনিয়নে কয়েকটি গ্রাম। এছাড়াও কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর, মাধবপুর, কমলগঞ্জ পৌর এলাকা, মুন্সীবাজার ও রহিমপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স’ান নদীর পার ধ্বসে পড়েছে ও ভাঙনের ঝঁকি রয়েছে। সাংবাদিকের মাধ্যমে খবর পেয়ে মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাদে করিমপুর ও সোনাপুর ধলাই নদীর বাঁদ সরজমিন পরিদর্শন করেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, এব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে সাথে আলাপ হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •