কমলগঞ্জে হু হু করে বাড়ছে পণ্যদ্রব্যের দাম ॥ দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

October 25, 2020, এই সংবাদটি ১১৪ বার পঠিত

প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ॥ কমলগঞ্জে হু হু করে বাড়ছে পণ্যদ্রব্যের দাম। গত দু’মাস যাবত প্রায় সকল পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তবে প্রশাসনের মনিটরিং কম থাকায় বাজারে পণ্যদ্রব্যের দাম ইচ্ছেমতো বাড়ছে বলে ক্রেতা সাধারণের অভিযোগ রয়েছে। ২৫ অক্টোবর রোববার শমশেরনগর ও ভানুগাছ বাজার ঘুরে এচিত্র পাওয়া যায়।

জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার প্রধান হাটবাজার শমশেরনগর ও ভানুগাছ বাজারে মোটা সিদ্ধ চাল কেজি প্রতি ৫ থেকে ৬ টাকা, চিকন চাল কেজি প্রতি ৫ টাকা এবং অন্যান্য সকল চালের দামেও কেজি প্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা হারে বেড়েছে। পেঁয়াজ ৪০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে কেজি প্রতি ৮০ টাকা, রসুন ৬৫ থেকে ৮৫ টাকা, চিকন মসুর ডাল ৯৫ টাকা থেকে ১২০ টাকা, ছোলা ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা, মটর ৩২ টাকা থেকে ৩৫ টাকা, আলু ২৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা, সোয়াবিল তেল বোতলজাত প্রতি লিটার ৯৭ টাকা থেকে ১০৩ টাকা, শুকনা মরিচ ১৯৫ থেকে ২৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৭০ থেকে ২০০ টাকা এবং সকল প্রকার শাক-সবজির দামও প্রায় দ্বিগুণ। এভাবে পণ্যদ্রব্যের দাম বাড়লেও মানুষের আয় রোজগার বাড়ছে না। গত কয়েক মাস যাবত করোনা সংক্রমণের ফলে অনেকেই কাজকর্ম হারিয়ে বেকার দিনযাপন করছেন। অন্যদিকে করোনাকালীন সময়ে সীমিত আয় দিয়ে বর্তমান সময়ে সংসার পরিচালনা খুবই কঠিন বলে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

কৃষক সমছু মিয়া, দিনমজুর আজিম মিয়া, ঠেলা চালক আব্দুল্লা মিয়া বলেন, করোনা আসার পর থেকে আমাদের আয় রোজগার কমে গেছে। এখন আবার সকল নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। তাতে আমাদের যে আয় তা দিয়ে পরিবার চালানোও খুবই কঠিন।

শমশেরনগর বাজারের মোদি ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম ও সহিদুল ইসলাম বলেন, ধানের দাম বেশি থাকায় মিলাররা চালের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন। অন্যান্য দ্রব্যমূল্যের দাম গত দু’মাস ধরেই বেড়ে চলেছে। শ্রীমঙ্গল পাইকারী বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও বেড়েছে।

এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হয়। তবে পুজা থাকার কারনে কয়েকদিন যাবত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা যায়নি। দু’একদিনের মধ্যেই বাজার মনিটরিং করা হবে বলে তিনি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •