কুলাউড়ায় গৃহবধুকে ধর্ষনের অভিযোগ

August 16, 2016,

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥ কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের কালারায়চর গ্রামে আড়াই মাসের সংসার ছেড়ে দেবরের সাথে পালিয়ে যাবার সময় অপহরণ করে গৃহবধুকে পালাক্রমে ধর্ষন করে ২জন নরপশু। এ ঘটনায় গৃহবধুর পিতা বাদী হয়ে ৬ জনের নামে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
জানা যায়, চলতি বছরের ৫ জুন কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের পূর্বভাগ গ্রামের কৃষক আং রশীদের ছেলে হারিছ মিয়া (৩২) একই ইউনিয়নের কালারায়চর গ্রামের দিনমজুর আব্দুল মতিনের মেয়ের (রহিমা বেগম-২১) বিয়ে হয়।
বিয়ের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় গৃহবধু পরকীয়ার টানে শনিবার ১৩ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে দেবর সোহেল মিয়ার সাথে ঘর বাধার জন্য বাড়ী বের হয়। বাড়ী থেকে যাওয়ার সময় গ্রাম অতিক্রমকালে কালারায়চর গ্রামের ভারতীয় চোরাইকারবারী আলাল মিয়া (৪০) ও সেলিম মিয়া (৩২) দেবর সোহেল মিয়া (২৮), তার সহযোগি বশরত মিয়া (২৫) ও রিপন মিয়া (২৬)কে আটক করে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এক পর্যায়ে ভারতীয় চোরাইকারবারী আলাল মিয়া উক্ত গৃহবধুকে দেবরের মোবাইল ফোন দিয়ে ডেকে এনে অপহরণ করে কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের বৈদ্যনাথপুর গ্রামের আরেক ভারতীয় চোরাইকারবারী সুলতান মিয়ার ২য় স্ত্রীর জয়র”ন বেগমের বাড়িতে এনে রেখে সুলতান মিয়া, আলাল মিয়া গংরা শনিবার ও রোববার দুইদিনে পালাক্রমে ধর্ষন করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকাল ১০টায় গৃহবধুর পিতা আব্দুল মতিন কুলাউড়া থানার উপ-পরিদর্শক জহিরুল হককে নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বৈদ্যনাথপুর গ্রামের জয়র”ন বেগমের বাড়ি থেকে গৃহবধুকে উদ্ধার করেন। এ সময় শরীফপুর ইউপি সদস্য হার”ণ মিয়া ও পতনঊষার ইউপি সদস্য সাজিদ আলী উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধার হওয়ার পর গৃহবধু পুলিশ ও সাংবাদিকদের কাছে দুইদিন পালাক্রমে ধর্ষনের কথা স্বীকার করেন।
আলাপকালে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কুলাউড়া থানার উপ-পরিদর্শক জহির”ল হক বলেন, গৃহবধু এখন কুলাউড়া থানা হেফাজতে রয়েছে। প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে গৃহবধু বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা হবে। এ ঘটনায় গৃহবধুর পিতা কুলাউড়া থানায় রোববার ৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এই মামলায় সোহেল মিয়া, বশর মিয়া ও রিপন মিয়া নামে ৩ জনকে গ্রেফতার করে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •