জুড়ীতে বেলাগাঁও প্রবাসী কল্যান পরিষদের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

May 22, 2020, এই সংবাদটি ৪২ বার পঠিত

জুড়ী প্রতিনিধি॥ করোনা ভাইরাস সংক্রামণ রোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে নিজ ঘরে অবস্থান করছেন দেশের মানুষ। পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহন চলাচল। সারাদেশের মতো মৌলভীবাজার জেলাও রয়েছে লকডাউনে। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দিনমজুর, শ্রমিক, রিকশাচালকসহ দুস্থ ও অসহায় পরিবারের সদস্যরা। এর ফলে খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছে তাদের। এর মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর সন্নিকটে। তাই নিম্ন আয়ের এরকম মানুষদের খাদ্যের কষ্ট কিছুটা হলেও লাগব করার উদ্দেশ্যে জুড়ী উপজেলার বেলাগাঁও গ্রামের প্রবাসীদের নিয়ে নবগঠিত সংগঠন “বেলাগাঁও প্রবাসী কল্যান পরিষদ” এর উদ্যোগে ৭০টি পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ১৯ মে বিকেলে উপজেলার শিশু শিক্ষা একাডেমী প্রাঙ্গন হতে পরিষদের সেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে ৭০টি পরিবারের বাড়িতে ঈদ উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। বিতরণকৃত প্রতিটি প্যাকেটে ছিল মাছ, আলু, পিয়াজ, ছানা, তৈল, খেজুর, সেমাই, চিনি, দুধ, মুড়ি, সাবান সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী।
বেলাগাঁও প্রবাসী কল্যান পরিষদের পক্ষথেকে ঈদ উপহার সামগ্রী পেয়ে অনেকেই আবেগে আপলুত হয়ে পরেন এবং এই সংগঠন কর্তৃক অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন দেখে অনেকেই এ সংগঠনের প্রশংসা করেন।
বেলাগাঁও প্রবাসী কল্যান পরিষদ সূত্রে জানা যায়, বেলাগাও গ্রামের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে বেলাগাঁও প্রবাসী কল্যান পরিষদের মাধ্যমে। স্বপ্ন ছিল নিজ গ্রামের হত দরিদ্রদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, তাদের পাশে দাড়ানো ও গ্রামের দরিদ্রতা স্থায়ী ভাবে নিরশন করা। আর সেই লক্ষে গ্রামের ৪৫৩ জন প্রবাসী এক যোগে সাড়া দিয়ে গঠন করেন বেলাগাঁও প্রবাসী কল্যান পরিষদ। গত ২০ এপ্রিল ২০২০ইং এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সর্ব প্রথম বেলাগাঁও গ্রামের ৭টি পঞ্চায়েতের ৭০টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় এই সংগঠনের। এসব মহৎ কাজের জন্য সকল প্রবাসীদের সহযোগিতার হাত অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন পরিষদের নেতারা। কর্মহীন ও অসহায় পরিবারের মধ্যে বেলাগাঁও প্রবাসী কল্যান পরিষদের এ সাহায্য করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •