(ভিডিওসহ) “নিশান স্বাস্থ্য পরিবেশ উন্নয়ন সোসাইটি”র বিরুদ্ধে নারী কর্মীর শিক্ষাসনদ আটকিয়ে টাকা চাওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

September 13, 2020, এই সংবাদটি ৯৪ বার পঠিত

বিকুল চক্রবর্তী॥ শিক্ষা সনদের মূলকপি আটকে রেখে অর্থ চাওয়ার অভিযোগে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবে “নিশান স্বাস্থ্য পরিবেশ উন্নয়ন সোসাইটির” বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গলে দুই নারী উন্নয়নকর্মী যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেছে। সুলতানা আক্তার ও শিল্পী দেব তারা সোসাইটির ফিল্ড কর্মকর্তা পদ থেকে সদ্য চাকুরী ছাড়েন।

১২ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ওই প্রতিষ্ঠানের  সাবেক এ দুই নারীকর্মী শিল্পী দেব (২০)  ও সুলতানা আক্তার (১৯) বলেন, বছরের ২১ ডিসেম্বরে ‘নিশান স্বাস্থ্য পরিবেশ উন্নয়ন সোসাইটিতে ফিল্ড অফিসার পদে তারা যোগদান  করেন। যোগদানের দিন তারা মূল সনদপত্র এবং ২০ হাজার টাকা করে জামানত জমা দেন। অফিসের কার্যক্রমগুলো সঠিকভাবে না থাকার কারণে ও এর সরকারী অনুমোদন না থাকার কারনে তারা তাদের পরিবারের সাথে আলোচনা করলে পরিবার থেকে আমাদেরকে চাকুরী ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলেন। ঐ সময় সারাবিশ্বে করোনা মহামারী দেখা দেয়। সরকারীভাবে ছুটি ঘোষণা করায় তারা বাড়ীতে চলে আসেন।  আসার সময় বকেয়া বেতন পাওনা থাকলেও  কোন প্রকার বেতন প্রদান করেনি সংস্থার কর্তৃপক্ষ।  তারা বলেন, এম. এফ. ডি (মাইক্রোফিন্যান্স ডিরেক্টর) মাসুদ রানা  এর কাছে তাদের মূল সনদপত্র ও জামানতের টাকা এবং  মার্চ মাসের বেতন ও লকডাউনে বন্ধকালীন সময়ের বেতন দেওয়ার কথা বললে এগুলো কোন কিছু দেওয়া যাবে না বলে তিনি জানান । এ ছাড়াও ৮ হাজার টাকা বেতনের কথা বলে নানা অযুহাতে মাসে আড়াই তিন হাজারের উপরে দেয়নি। এ অবস্থায় পরিবারের নির্দেশে চাকুরী ছেড়ে দেওয়ার জন্য  তারা লিখিত ভাবে আবেদন করেন গত জুন মাসে। পরবর্তীতে তারা অনেকবার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদের কল রিসিভ করেরি কর্তৃপক্ষ। কিছুদিন পর  তারা নির্বাহী পরিচালক মঈনুদ্দিন বেলাল এর কাছে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন মূল সনদপত্র ও টাকা দেওয়া যাবে না। মূল সনদ নিতে গেলে তাদেরকে উপরুন্ত  ত্রিশ হাজার টাকা দিতে হবে।  তারা সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে মূল সনদপত্র ও টাকা ফেরত প্রদানে সাংবাদিক ও প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন।

এ বিষয়ে সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মইনুদ্দিন বেলালের মুঠোফোনে (০১৭৩৮৪১০০১৪) যোগাযোগ করলে তিনি জানান, অভিযোগকারীরা নিয়মানুযায়ী চাকুরী ছেড়ে যায়নি। তবে পরবর্তীতে তিনি পুনরায় ফোন করে বলেন তারা তাদের টাকা ও সাটিফিকেট দিয়ে দিবেন এ সময় এ সংক্রান্ত নিউজটি না করার অনুরোধ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •