প্রসঙ্গঃ সন্ত্রাস, সন্ত্রাসী ও পিতা-মাতা

July 25, 2016,

মোহাম্মদ আবু তাহের॥ হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে হযরত রসুল করিম (সঃ) বলেছেন মানুষের মৃত্যুর পর কিছু পূণ্য ব্যতীত সব পূণ্য বন্ধ হয়ে যায়, এর মধ্যে অন্যতম হলো সুসন্তান বা নেকসন্তান, যে সন্তানকে তার পিতামাতা প্রথম থেকেই সুশিক্ষা দান করেছেন এবং সে চেষ্টার ফলে খোদাভীরু নৈতিক গুনসম্পন্ন হতে পেরেছে । যতদিন পর্যন্ত এমন সন্তান পৃথিবীতে জীবিত থাকবে ততদিন পর্যন্ত তার কৃতকর্মের সওয়াব বা পূণ্য পিতামাতা পেতেই থাকবে। সুসন্তান শুধুমাত্র পিতামাতারই নয় সমাজেরও শ্রেষ্ঠ সম্পদ ।
সকল মানুষ যদি তাদের সন্তানকে সঠিকভাবে ভালোমন্দ নীতি নৈতিকতা, ন্যায় অন্যায় বুঝিয়ে দিতে পারে তাহলে সেই সন্তান বড় হয়ে সমাজ ও দেশের ক্ষতির কারন হতে পারেনা । এ ব্যাপারে পিতামাতার ভূমিকাই সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন। প্রত্যেক মা বাবার পার্থিব সমাজে তার যত কাজ আছে তার মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট কাজ হচ্ছে তার সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে সুসন্তান হিসাবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা । কোন সন্তান যখন সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মানুষের মত মানুষ হয়ে সমাজে ভালো কাজ করে তার সফলতা শুধু মা বাবাই পায়না , সমাজের সর্বস্তরের মানুষই তা ভোগ করে। তাই প্রত্যেক মা বাবার উচিত সন্তানদের সুশিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষা দেয়া । যে শিক্ষা মানুষকে মহৎ ও মানবিক হতে শিক্ষা দেয় না সে শিক্ষা কোন শিক্ষাই নয়। অন্যদিকে মা বাবা যদি তাদের সন্তানকে সঠিকভাবে ন্যায় অন্যায়ের পার্থক্য বুঝিয়ে বা শিখিয়ে দিতে না পারে তাহলে সে সন্তান কুসন্তান বা সমাজের বোঝা হতে বাধ্য । এ জন্য নিজ সন্তানের প্রতি সুদৃষ্টি রাখতে হবে । সুসন্তান শুধু পরিবারের ভাবমূর্তিই ঊজ্জ্বল করেনা দেশের জন্যও সুনাম বয়ে আনে। খারাপ সন্তান পরিবার , সমাজ , দেশ ও জাতির জন্য বোঝা । সন্তানদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দিলেই পিতামাতার দায়িত্ব শেষ হবেনা, সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আদব কায়দাও শিখাতে হবে । শিক্ষা অর্জন করে যেসব ব্যক্তি কীর্তিমান হয়েছেন তাদের দৃষ্টান্তও সন্তানদের সামনে তুলে ধরতে হবে। সন্তানদের মধ্যে দেশাত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। দেশের প্রতি ও দেশের মানুষের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। সন্তান যাতে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন একজন মানুষে পরিণত হয় সেদিকে পিতামাতাকেই দৃষ্টি রাখতে হবে । সন্তানদের গঠনমূলক কাজে সব সময় উৎসাহ প্রদান করতে হবে। গঠনমূলক কাজ যদি ছোটও হয় তবুও উৎসাহিত করতে হবে। তাহলেই সন্তানদের সমাজ উন্নয়নমূলক কাজের মানসিকতার সৃষ্টি হবে।
মানুষ হবার জন্য সবচেয়ে কার্যকর পাঠশালা হচ্ছে ঘর। সবচেয়ে বড় শিক্ষক হচ্ছেন পিতামাতা। যে ঘরে সুশিক্ষার পরিবেশ থাকে, মা বাবার জীবনাচরণে আদর্শ থাকে নীতি নৈতিকতা থাকে সে ঘরের সন্তানরা সাধারণত বেপথু হয়না বা হতে পারেনা । তারপরও ব্যতিক্রম ঘটে যায়, সন্তান নষ্ট হয়ে যায় সঙ্গদোষে । কাজেই সন্তান কার সাথে মিশছে কোথায় যাচ্ছে সেদিকেও মা বাবার খেয়াল রাখতে হবে । তা না হলে সন্তান কুসন্তান হবে। কারন একটা চুড়ান্ত অবক্ষয়ের ভেতর দিয়ে চলছি আমরা। সামাজিক মূল্যবোধগুলোও এক এক করে ক্ষয়ে যাচ্ছে । সামগ্রিকভাবে মানুষের নৈতিকতার মান নেমে গেছে, সমাজ অপরাধ ও অপরাধীদের সঙ্গে আপস করে চলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে । ক্ষয়িষ্ণু এই সামাজিক অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ আমাদেরই খুঁজে বের করতে হবে। সামাজিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়টি যেন দিন দিন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে । সমাজ যেন প্রতিদিন পিছনের দিকে যাচ্ছে।
১ লা জুলাই ২০১৬ ঢাকার গুলশান হলি আর্টিজান বেকারীর হত্যাযজ্ঞ ও পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর দিনে শোলাকীয়ায় জঙ্গি হামলার ঘটনা তারই প্রমাণ বহন করে। এই সমস্ত ঘটনায় গোটা জাতি বাকরুদ্ধ। পৃথিবীর সকল মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ স্তম্ভিত ও শোকাহত। এ মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক খবর আমাদের সামাজিক অবক্ষয়ের চূড়ান্ত রূপটিই যেন প্রকাশ করে। গুলশান হত্যাযজ্ঞে যে তরুণরা অংশগ্রহণ করেছে তাদের মধ্যে দু’জন ছিল পল্লী গ্রামের সন্তান, একজন মাদ্রাসা ছাত্র, বাকী সবাই শহরের উ”চ বিত্ত পবিারের সন্তান। তারা পড়াশুনা করেছে অভিজাত ও ব্যয়বহুল প্রতিষ্ঠানে। হত্যাকান্ডে অংশগ্রহণকারীদের ও যারা সহযোগিতা করেছে তাদের ধিক্কার জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। এটা নিষ্ঠুর উন্মত্ততা। এ ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন তাদের স্বজনদের প্রতি রইলো গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা। এ ঘটনায় একদিকে যেমন দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে, অন্যদিকে দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়ার এক গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন জেলার সাথে ভিডিও কনফারেন্সে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর আহবানে দলমত নির্বিশেষ সকল মানুষেরই সাড়া দেওয়া উচিত। মানুষের সহযোগিতা ছাড়া শুধুমাত্র আইন প্রয়োগকারী সং¯’ার মাধ্যমে এ ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন করা সম্ভব নয়। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম সব ধরনের হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের সঙ্গে ইসলামের দূরতম সম্পর্কও নেই। ওহুদের যুদ্ধের সময় মহানবী(সঃ) কাফেরদের প্র¯‘তি সম্পর্কে বুঝার জন্য এক সাহাবীকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন শেষে মহানবী (সঃ) এর কাছে তথ্য পেশ করার পর শিশুর মত কাঁদতে থাকেন। মহানবী (সঃ) কান্নার কারন জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন কাফেরদের নেতা আবু জেহেলকে গভীর নিদ্রায় পেয়েও হত্যা করিনি। নবী করিম (সঃ) বললেন নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত অব¯’ায় আবু জেহেলকে হত্যা করলে তুমি জাহান্নামী হতে। রসুল(সঃ) পরম শত্রুর সঙ্গেও ভালো আচরণ করেছেন। নবীজী যে পথে চলাফেরা করতেন সে পথে বৃদ্ধা কাঁটা ফেলে রাখত । কিš‘ হঠাৎ একদিন রাস্তায় কাঁটা না দেখে নবীজী ঐ বৃদ্ধা অসু¯’ কিনা তা দেখতে তার বাড়ি চলে যান। এ ঘটনা সকলেরই জানা। ইসলাম সর্বো”চ নৈতিকতা, চরম ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়। ইসলাম অতর্কিতভাবে কারও ওপর আক্রমণ করার অনুমতি দেয় না। সুতরাং ইসলামের নামে যারা মানুষ হত্যা করে তারা মানুষ নামের কলংক, তারা জানোয়ারের চেয়েও নিকৃষ্ট। গুলশান হত্যাকান্ডে যারা অংশগ্রহণ করেছে তারা প্রায় সবাই উ”চ পরিবারের সন্তান। সামাজিক অ¯ি’তিশীলতা থেকেই সামাজিক নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যুব সমাজের পার্থিব জীবনে হতাশার কারনে সমাজে সন্ত্রাস বাড়ছে। দেশ, জাতি ও সমাজ এর হতাশা জর্জরিত সবাই যেন ছুটছে মরিচিকার পেছনে। দেশ, জাতি ও সমাজকে ভালবাসতে হলে প্রত্যেককে ফিরে যেতে হবে তার নিজ নিজ ¯’ানে। অর্থাৎ তাদের পারিবারিক অব¯’ানের দিকে, ঘরের দিকে। তার পরিবারের লোকজন কী করছে, কে কার দায়িত্ব কতখানি পালন করছে। প্রত্যেকে যদি প্রত্যেকের সন্তানকে সঠিকভাবে ভালমন্দ ন্যায় অন্যায়ের পার্থক্য বুঝিয়ে দিতে না পারে তবে তারা বড় হয়ে কিভাবে সমাজের কাজে লাগবে? এ ব্যাপারে মা-বাবার ভূমিকাই সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন। দেশের প্রতিটি মানুষই বিশ্বাস করেন শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। কিš‘ কোন্ শিক্ষা? যে শিক্ষা মানুষকে ন্যায়, অন্যায় ও ভালমন্দের পার্থক্য নিরুপন করতে শেখায়, যে শিক্ষা দেশ ও জাতিকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যায়। এটাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে নিজ সন্তানের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এরাই হবে দেশের ভবিষ্যৎ। আর সন্তান যদি কু- সন্তান হয় তার কুফল শুধু মা-বাবাই নয় গোটা সমাজই ভোগ করে। সুতরাং সন্তানদের পড়াশুনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড ও খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শুধুমাত্র স্কুল আর কোচিং সেন্টার মুখি না করে, একটু বড় হলে দামি মোবাইল ও ল্যাপটপ ধরিয়ে না দিয়ে জীবনবোধ এবং জীবন চর্চারও সুযোগ করে দিতে হবে। সন্তান বেশি আত্মকেন্দ্রীক হয় কিনা তাও লক্ষ্য রাখতে হবে। মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায় বিচার শিক্ষা দিতে হবে। শুধুমাত্র পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের চিন্তা থাকলে নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন আদর্শ সমাজ গঠিত হবে না। সেজন্য সন্তানদের আদর্শ মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিতে হবে। সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনে এবং শিশু সংগঠনে যোগ দেওয়ার জন্যও সন্তানদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যে শিক্ষা মানুষকে মহৎ ও মানবিক হতে শিখায় না সে শিক্ষা কোনো শিক্ষাই নয়। শিক্ষা মানে কাজের জন্য একটা যন্ত্র হওয়া নয়। এ বিষয়টি সন্তানদের বুঝাতে হবে।
ইসলাম অর্থ শান্তি। অন্যান্য ধর্মও শান্তি ও সৌহার্দ্যের কথা বলে। ইসলামের কোথাও নেই অন্য ধর্মের মানুষকে আঘাত করতে হবে। নবীজী বিধর্মীদের সাথে কত ভালো আচরণ করতেন তা উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবে না। তিনি মেহমানদের সাথে সব সময় ভালো ব্যবহার করতেন। হলি আর্টিজানে নিরীহ মানুষগুলো বাংলাদেশের জন্য মেহমান ছিল। তারা এদেশের মানুষের জন্য কাজ করতে এসেছিলেন। কিš‘ এদেশের কিছু বিপথগামী কু-সন্তানরা এ জঘন্য হত্যাকান্ড চালালো। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সকল মানুষ এ কু-সন্তানদের ঘৃণাভাবে স্মরণ করে তাদের অভিশাপ দেবে।
খ্যাতিমান সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আনিসুল হকের ১৫ জুলাই ২০১৬ তারিখে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত নিবন্ধ থেকে কিছু অংশ পাঠকদের উদ্দেশ্যে উপ¯’াপন করতে চাই। “জঙ্গি বিষয়ক এই বিবাদের মধ্যে সরকারের করণীয় আছে অনেক। করণীয় আছে প্রত্যেক নাগরিকের, প্রতিটা পরিবারের, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের আর প্রতিষ্ঠানের, গণমাধ্যমের ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। সার্বিকভাবে সমাজে ভিন্নমত, ভিন্ন চেহারা, ভিন্ন রং, ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষদের সম্মাণ করা, শ্রদ্ধা করার প্রবণতা কম এটা যেমন তথাকথিত প্রতিক্রিয়াশীলদের মধ্যে তেমনি প্রগতিশীলদের মধ্যেও সমানভাবে দেখা যায়। আমার মতই শ্রেষ্ঠ, কাজেই অন্য সব মত নির্মূল করে আমার মতটাকে কায়েম করতে হবে। এই চিন্তা বিপজ্জনক। তার কুফল আমরা হাড়ে হাড়ে টের পা”িছ। আর দরকার গণতান্ত্রিক পরিসর। আমার মনে যদি কোন ক্ষোভ থাকে, আপত্তি থাকে, তা যেন আমি নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রকাশ করতে পারি। রাজনীতিতেও বিভিন্ন মত নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রকাশের সুযোগ থাকতে হবে। চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উ”চ সেথা শির। সেই স্বপ্নের পরিবেশ অনেকাংশেই চরমপš’াকে নিরুৎসাহিত করে।” ব্রাড ওয়ং নামের একজন অস্ট্রেলীয় অর্থনীতিবিদের উদ্বৃতি দিয়ে তিনি আরও লিখেছেন বাংলাদেশের গুলশান হামলায় প্রতিক্রিয়া কী হওয়া উচিত? তিনি বলেছেন ব্যক্তি হিসেবে হয়তো একজন মানুষের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বেশি কিছু করার নেই। কিš‘ একটা কাজ পৃথিবীর যে কোনো নাগরিকই করতে পারে। সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য হল মানুষকে ভয় পাইয়ে দেওয়া। ব্রাড ওয়ং বলেছেন ব্যক্তি হিসেবে আমাদের করণীয় হলো ভয় না পাওয়া, ভয়কে জয় করা।
একটি আদর্শ সমাজ বিনির্মাণ করতে নিম্নলিখিত গুণাবলী অর্জন করার জন্য মা-বাবা তাদের সন্তানদের উদ্বুদ্ধ করতে পারেন: (১) সততা (২) সত্যবাদিতা (৩) আমানতদারী (৪) ধৈর্য ও সহনশীলতা (৫) সহমর্মিতা (৬) ওয়াদা রক্ষা করা (৭) হাসিমুখে কথা বলা (৮) বিনয়ী হওয়া (৯) মেহমানদের মর্যাদা ও সম্মাণ করা (১০) প্রতিবেশীর প্রতি সদাচরণ করা (১১) খ্যাতিমান মানুষদের জীবনী ও বই পুস্তক পড়া। উল্লেখিত গুণাবলী অর্জন করতে পারলে সন্তান বিপথগামী হবে না। মহান আল্লাহ তা’আলা সকলের সন্তানদের দুনিয়া আখেরাতের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে কবুল করুন। লেখক- ব্যাংকার ও কলামিস্ট এবং সভাপতি ব্যাংক অফিসার্স এসোসিয়েশন, মৌলভীবাজার। মোবাইলঃ ০১৭১১-১৩৭২৯৮

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •