মৌলভীবাজার জেলার কৃতি সন্তান সাবেক সচিব সৈয়দ আব্দুল মুক্তাদির চলে গেছেন না ফেরার দেশে

October 27, 2020, এই সংবাদটি ২৪৬ বার পঠিত

জেসমিন মনসুর॥ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বরইউরি সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণকারী বাংলাদেশের কৃতিসন্তান সিলেট এমসি কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস ঢাকাস্থ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যুগ্ম সচিব ও মৌলভীবাজার সরকারী কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ঢাকাস্থ মৌলভীবাজার সমিতির প্রাক্তন সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক সৈয়দ আব্দুল মুক্তাদির ২৬ শে অক্টোবর সোমবার বিকেল ৫ ঘটিকায় স্কয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাহি রাজিউন) মৃত্যুকালে উনার বয়স হয়েছিলো ৮০ বছর। তিনি দুই পুত্র সন্তান রেখে গেছেন। বৃটেনের লন্ডনে বসবাসরত মরহুমের ছেলের পক্ষ থেকে সবাইকে দোয়া কামনা করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এদিকে বৃটেন থেকে গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইন ইউকের সাউথ ওয়েলস রিজিওনাল প্রাক্তন চেয়ারপার্সন ডেইলি সিলেট এন্ড দৈনিক মৌলভীবাজার মৌমাছি কন্ঠের সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মকিস মনসুর এক শোকবার্তায় ঢাকাস্থ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যুগ্ম সচিব ও মৌলভীবাজার সরকারী কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক আমাদের কৃতি সন্তান সৈয়দ আব্দুল মুক্তাদির সাহেবের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাবহ পরিবারবর্গ এর প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন সহ মরহুমের বিদায়ী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেছেন তিনি আজীবন নিরলসভাবে দেশ ও জাতির খেদমত করে গেছেন।ব্যক্তিগত জীবনে তিনি পরোপকারী ,সমাজসেবক ও একজন ভাল লোক ছিলেন। উনার মৃত্যুতে শুধু মৌলভীবাজার বা সিলেট বিভাগের নয় সমগ্র বাংলাদেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।।
এখানে উল্লেখ্য যে ৬০এর দশকের প্রারম্ভে এমসি কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস ছিলেন তিনি। মৌলভীবাজার সরকারী কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে পেশা জীবন শুরু করলে ও পরবর্তীতে পকিস্তান ট্যাক্সেশন সার্ভিসে যোগদান করেন।স্বাধীনতা পরবর্তীতে টিএন্ডটি বোর্ডের সদস্য,প্রধানমন্ত্রীর একান্তসচিব সহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন
তিনি ৪৫ বৎসর বয়সে সরকারী চাকুরী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করে সমাজ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। জালালাবাদ এসোসিয়েশন ঢাকার সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •