সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক-কর্মচারীরা ধামাই, সোনারুপা ও আতিয়াবাগ চা-বাগানে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

May 7, 2016, এই সংবাদটি ২৪৮ বার পঠিত

জুড়ী প্রতিনিধি॥ জুড়ী উপজেলার ধামাই, সোনারুপা ও আতিয়াবাগ চা-বাগানে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির ব্যাপারে তিনটি বাগানের শ্রমিক-কর্মচারীরা অভিযোগ করেছেন। শুক্রবার ৬ মে ধামাই বাগানের স্টাফ অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। ধামাই বাগানের পক্ষে শ্রমিক পঞ্চায়েত সভাপতি যাদব রুদ্রপাল, সোনারুপা বাগানের পক্ষে শ্রমিক পঞ্চায়েত সভাপতি বাদল রুদ্রপাল ও আতিয়াবাগ বাগানের পক্ষে পঞ্চায়েত সভাপতি বদই কুর্মী তাঁদের বক্তব্যে অভিযোগ করেন, তিনটি বাগানে প্রায় ১৩ হাজার চা-শ্রমিক কাজ করছেন। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে শ্রমিকদের প্রভিডেন্ড ফান্ডের টাকা জমা হচ্ছে না। হাসপাতালের বাগানে ডাক্তার ওসুধ মিলে না। মজুরি ঠিক সময়ে তাঁরা পায় না। ভাঙ্গাচোরা বাড়িঘর মেরামতে কোনো বাজেট বরাদ্দ নেই। বিদ্যুৎ বিভাগ লাইন কেটে দিয়েছে বিল না দেওয়ায়। চা উৎপাদন বন্ধ। শ্রমিকেরা অসহায় ও মানবেতর জীবনযাপন করছে। দুই বেলা আহার জুটছে না। চা-পাতা পচে গেছে। অনেক চা ম্যানেজাররা কালোবাজারে বিক্রি করে ফেলেছে। কর্মচারীদের পক্ষ থেকে ধামাই বাগানের টিলাবাবু মিছবাউর রশীদ খান, টি-এস্টেট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের জুড়ী ভ্যালি কমিটির সভাপতি সুরজিৎ সিনহা ও আতিয়াবাগ চা-বাগানের হেডক্লার্ক আবদুল খালিক বলেন, তিনটি বাগানের কর্মচারী ও শ্রমিক সরদারদের সাত মাসের বেতন বন্ধ। প্রভিডেন্ড ফান্ডে টাকা জমা হচ্ছে না। তাই, ২৬ এপ্রিল থেকে তাঁরা কর্মবিরতি পালন করছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনটি বাগানের শতাধিক শ্রমিক ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। ধামাই চা-বাগানের ব্যবস্থাপক গোপাল শিকদার বলেন, বাগান লোন না পাওয়ায় এই সমস্যা চলছে। ব্যাংকের লোন পেলে সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •