সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি’র করোনা জয়

June 26, 2020, এই সংবাদটি ১৫৮ বার পঠিত

প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ॥ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ, মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ -শ্রীমঙ্গল) আসনের ৬ বারের নির্বাচিত আওয়ামী লীগের দলীয় সংসদ সদস্য ও অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি’র দ্বিতীয় করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তিনি ১৪ জুন জ্বর, সর্দি নিয়ে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন। পরদিন ১৫ জুন তাঁর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। পরবর্তীতে সতর্কতার জন্য মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে তাঁকে ১৮ জুন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৪ জুন প্রথম ফলোআপ টেষ্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন সকালে আইডিসিআর থেকে তার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তিনি এখন সুস্থ আছেন। তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকা শ্রীমঙ্গল -কমলগঞ্জের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং চিফ হুইপের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পাশে থাকার জন্য।
উপাধ্যক্ষ ড. মো.আব্দুস শহীদ এমপি’র একান্ত সচিব আহাদ মো. সাঈদ হায়দার জানান, করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ আসায় এমপি আল্লাহর নিকট শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাস্তবমুখী ও সাহসী বিভিন্ন পদক্ষেপে বাংলাদেশের জনগণ চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যে দেশের উন্নয়নের গতিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনবেন। উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি করোনামুক্ত হওয়ায় পরম করুণাময়ের দরবারে অশেষ শোকরিয়া জানিয়ে তাঁর নির্বাচনী এলাকা কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সহ সর্বস্তরের জনসাধারনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
এছাড়া গণমাধ্যমের সাংবাদিক, দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ, দেশে-বিদেশে অবস্থিত ডিপ্লোমেট এবং প্রবাসী যারা খোঁজ নিয়েছেন, দোয়া করেছেন, তাদের সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। খুব দ্রুতই তিনি বাসায় ফিরবেন।
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন বিকেলে সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি’র ব্যক্তিগত সহকারী ইমাম হোসেন সোহেল জানান, তিনি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। এখনো তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আছেন। মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর ছাড়পত্র দেয়া হলে তাকে বাসায় নিয়ে আসা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •