সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড়লেখা থানায় অভিযোগ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বড়লেখা বিএনপির ঐক্য প্রশ্নের মুখে

July 30, 2013, এই সংবাদটি ২৯৫ বার পঠিত

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড ছিঁড়া ও ভাংচুরের ঘটনায় সাবেক ত্রান প্রতিমন্ত্রী, বিএনপির সংস্কারপন্থী নেতা অ্যাড. এবাদুর রহমান চৌধুরীসহ তিন জনকে আসামী করে বড়লেখা থানায় অভিযোগ করেছেন জাসাসের কেন্দ্রীয় যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক দারাদ আহমদ। দারাদ আহমদের এই অভিযোগের খবরে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড়লেখায় বিএনপির ঐক্যের বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীদের মুখে এই সব আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। জানা যায়, গত ২৮ জুলাই রোববার বড়লেখা উপজেলা বিএনপির একাংশের উদ্যোগে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি নাসের রহমান প্রধান অতিথি ও সাবেক ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. এবাদুর রহমান চৌধুরীকে এ অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা করা হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি পারিবারিক অনুষ্ঠানের কারনে বড়লেখার ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হতে পারেননি। তবে মোবাইল ফোনে উপস্থিত নেতা-কর্মীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। অপরদিকে দারাদ আহমদ জানান, বড়লেখা উপজেলা বিএনপির একাংশের ইফতার মাহফিল আয়োজন ও এম.নাসের রহমানের নামে সাবেক প্রতিমন্ত্রীর অনুসারিরা ব্যাপক চাঁদাবাজি শুরু করে। এ বিষয়টি জেলা বিএনপির সভাপতিকে জানানো হলো তিনি ইফতার অনুষ্ঠানে যাননি। ফলে ইফতারপার্টি আয়োজনকারীরা এতে ক্ষিপ্ত হয়। ক্ষুব্দ এবং উত্তেজিত নেতা-কর্মীরা বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদকের ছবি সম্বলিত ৪২টি বিলবোর্ড ছিড়ে ফেলে। এ ঘটনায় দারাদ আহমদ অ্যাড. এবাদুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির একাংশের সভাপতি আব্দুল হাফিজ ও বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান খসরুকে আসামী করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা বিএনপির একটি সুত্র জানায়, গত জাতীয় সসংদ নির্বাচনে তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী এবাদুর রহমান ১/১১ প্রেক্ষাপটে সংস্কারপন্থী হয়ে পড়ায় স্থানীয় বিএনপিতে রাজনৈতিক নুতনধারার মেরুকরন শুরু হয়। এরপর থেকেই বিভিন্ন কারনে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনের সাবেক সাংসদ এবাদুর রহমান চৌধুরীর সাথে দারাদের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এই দুরত্ব এখনও অব্যাহত রয়েছে। ১/১১ প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া কারবন্দি হবার পর নেদারল্যান্ডের দি হেগ সিটিতে আন্তর্জাাতিক আদালতে নেত্রীর মুক্তি ও গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করে দারাদ আহমদ আলোচনায় চলে আসেন। তবে, এসব কারনে অসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃনমূল পর্যায়ে বিএনপির ঐক্য এখন প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে। তৃনমূল নেতাকর্মীরা বিভেদের এই বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না। ঈদের পর কেন্দ্র থেকে নতুন অন্দোলনের প্রস্তুতির এই সময়টাতে সঠিক নির্দেশনা নিয়েও সংশয়ে আছেন তারা। অভিযোগ প্রসঙ্গে সাবেক এাণ প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. এবাদুর রহমান চৌধুরী বলেন, তিনি রোববার বড়লেখা উপজেলা বিএনপির ইফতার মাহফিলে উপস্থিতি হন। জেলা বিএনপির সভাপতি নাসের রহমান পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানের কারনে বড়লেখায় না আসলেও মোবাইল ফোনে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ও বিলবোর্ড ছিঁড়া সম্পর্কে তিনি কিছইু জানেন না। জেলা বিএনপির সভাপতি এম. নাসের রহমান মোবাইল ফোনে জানান, তিনি পারিবারিক ও মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির সদ্যপ্রয়াত নেতা আব্দুল ওয়াদুদের বাড়িতে অনুষ্ঠানের কারনে বড়লেখায় যাওয়া হয়নি। দারাদ আহমদ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে ব্যক্তিগত কোন দ্বন্দ্বের জন্য এমন হতে পারে। বড়লেখা থানার ওসি সেলিম নেওয়াজ জানান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবাদুর রহমানের লোকজন খালেদা জিয়ার ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড ছিঁড়ে ফেলেছে এ ধরণের একটি অভিযোগ দারাদ আহমদ থানায় দিয়েছেন। এ বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড ছিঁড়া ও ভাংচুরের ঘটনায় সাবেক ত্রান প্রতিমন্ত্রী, বিএনপির সংস্কারপন্থী নেতা অ্যাড. এবাদুর রহমান চৌধুরীসহ তিন জনকে আসামী করে বড়লেখা থানায় অভিযোগ করেছেন জাসাসের কেন্দ্রীয় যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক দারাদ আহমদ। দারাদ আহমদের এই অভিযোগের খবরে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড়লেখায় বিএনপির ঐক্যের বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীদের মুখে এই সব আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। জানা যায়, গত ২৮ জুলাই রোববার বড়লেখা উপজেলা বিএনপির একাংশের উদ্যোগে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি নাসের রহমান প্রধান অতিথি ও সাবেক ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. এবাদুর রহমান চৌধুরীকে এ অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা করা হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি পারিবারিক অনুষ্ঠানের কারনে বড়লেখার ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হতে পারেননি। তবে মোবাইল ফোনে উপস্থিত নেতা-কর্মীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। অপরদিকে দারাদ আহমদ জানান, বড়লেখা উপজেলা বিএনপির একাংশের ইফতার মাহফিল আয়োজন ও এম.নাসের রহমানের নামে সাবেক প্রতিমন্ত্রীর অনুসারিরা ব্যাপক চাঁদাবাজি শুরু করে। এ বিষয়টি জেলা বিএনপির সভাপতিকে জানানো হলো তিনি ইফতার অনুষ্ঠানে যাননি। ফলে ইফতারপার্টি আয়োজনকারীরা এতে ক্ষিপ্ত হয়। ক্ষুব্দ এবং উত্তেজিত নেতা-কর্মীরা বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদকের ছবি সম্বলিত ৪২টি বিলবোর্ড ছিড়ে ফেলে। এ ঘটনায় দারাদ আহমদ অ্যাড. এবাদুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির একাংশের সভাপতি আব্দুল হাফিজ ও বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান খসরুকে আসামী করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা বিএনপির একটি সুত্র জানায়, গত জাতীয় সসংদ নির্বাচনে তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী এবাদুর রহমান ১/১১ প্রেক্ষাপটে সংস্কারপন্থী হয়ে পড়ায় স্থানীয় বিএনপিতে রাজনৈতিক নুতনধারার মেরুকরন শুরু হয়। এরপর থেকেই বিভিন্ন কারনে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনের সাবেক সাংসদ এবাদুর রহমান চৌধুরীর সাথে দারাদের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এই দুরত্ব এখনও অব্যাহত রয়েছে। ১/১১ প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া কারবন্দি হবার পর নেদারল্যান্ডের দি হেগ সিটিতে আন্তর্জাাতিক আদালতে নেত্রীর মুক্তি ও গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করে দারাদ আহমদ আলোচনায় চলে আসেন। তবে, এসব কারনে অসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃনমূল পর্যায়ে বিএনপির ঐক্য এখন প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে। তৃনমূল নেতাকর্মীরা বিভেদের এই বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না। ঈদের পর কেন্দ্র থেকে নতুন অন্দোলনের প্রস্তুতির এই সময়টাতে সঠিক নির্দেশনা নিয়েও সংশয়ে আছেন তারা। অভিযোগ প্রসঙ্গে সাবেক এাণ প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. এবাদুর রহমান চৌধুরী বলেন, তিনি রোববার বড়লেখা উপজেলা বিএনপির ইফতার মাহফিলে উপস্থিতি হন। জেলা বিএনপির সভাপতি নাসের রহমান পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানের কারনে বড়লেখায় না আসলেও মোবাইল ফোনে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ও বিলবোর্ড ছিঁড়া সম্পর্কে তিনি কিছইু জানেন না। জেলা বিএনপির সভাপতি এম. নাসের রহমান মোবাইল ফোনে জানান, তিনি পারিবারিক ও মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির সদ্যপ্রয়াত নেতা আব্দুল ওয়াদুদের বাড়িতে অনুষ্ঠানের কারনে বড়লেখায় যাওয়া হয়নি। দারাদ আহমদ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে ব্যক্তিগত কোন দ্বন্দ্বের জন্য এমন হতে পারে। বড়লেখা থানার ওসি সেলিম নেওয়াজ জানান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবাদুর রহমানের লোকজন খালেদা জিয়ার ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড ছিঁড়ে ফেলেছে এ ধরণের একটি অভিযোগ দারাদ আহমদ থানায় দিয়েছেন। এ বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •