মৌলভীবাজারে সর্বত্রই সুলতান মনসুরের ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড নিয়ে গুঞ্জন ও কৌতূহল

August 3, 2013, এই সংবাদটি ৩৯২ বার পঠিত

সুলতান মনসুরের ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড নিয়ে গুঞ্জন ও কৌতূহল তাকে নিয়েই এখন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া-কমলগঞ্জ নির্বাচনী এলাকাসহ এ অঞ্চলে চলছে নানা আলোচনা আর হিসাব-নিকাশ। নিজ নির্বাচনী এলাকার দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক, ভক্ত, শুভানুধ্যায়ীরা উদগ্রীব ১৫ই আগস্টকে ঘিরে। তার ভক্ত ও সমর্থকরা এখন ব্যস্ত কার্ডটি বিলি করতে। একটি ছবিযুক্ত রঙিন ঈদ শুভেচ্ছা কার্ডের সঙ্গে একটি নিমন্ত্রণও। সেটি জাতীয় শোক দিবস, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদান ও বাংলার গণমানুষের মুক্তি আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ওই দিন তার গ্রামের বাড়ি কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের গোবিন্দপুরে মিলাদ মাহফিল ও মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণের। শুভেচ্ছা কার্ডে তিনি কুলাউড়া-কমলগঞ্জবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি প্রত্যাশা করেছেন সবার সহযোগিতায় ষড়যন্ত্রের রাজনীতি মোকাবিলা করে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার। দীর্ঘদিন থেকে মুখ বুজে আছেন তিনি। ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে তার সমর্থকরা যে কার্ড বিলি করছেন তাতে ১৫ই আগস্ট তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুলবেন- এমনটি ইঙ্গিত থাকায় কৌতূহলী নিজ দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও ভক্ত ছাড়া রাজনীতিবিদরাও। এ নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন আর আলোচনা। তিনি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। তিনি আওয়ামী লীগ ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ৪২ বছর থেকে। এ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স¤পাদকের। ছিলেন ঢাকসুর ভিপি ও এমপি। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে রয়েছে তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা। দলীয় রাজনীতির বাইরেও জনপ্রিয়তার কমতি নেই। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল ছাড়াও সারা দেশে রয়েছে তার হাতে গড়া দলীয় নেতাকর্মীসহ অসংখ্য সমর্থক ও ভক্ত। কিন্তু কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে পালনের পরও ঠাঁই হয়নি গত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তাকে সংস্কারপন্থি চিহ্নিত তুলে দলীয় রাজনীতি থেকে অদৃশ্য কারণে কোণঠাসা করে রাখা হয় একসময়ের এ দাপুটে নেতাকে। মান-অভিমানে সরাসরি দলীয় সভা-সমাবেশে যোগ না দিলেও তিনি তার নির্বাচনী এলাকাসহ সারা দেশে তার সমর্থক ও ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন সার্বক্ষণিক। দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর থেকে প্রতিনিয়ত দেশ-বিদেশে থাকা দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থক শুভানুধ্যায়ী, ভক্ত ও শুভাকাক্ষীরা ফোনে তাকে দলীয়ভাবে নিষ্ক্রিয় রাখা ও তার রাজনীতির ভবিষ্যৎ চিন্তা নিয়ে জানতে চাইলেও মুখ খোলেননি তিনি। অতি সম্প্রতি তিনি বেসরকারি দুটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় টকশোতে অংশ নিয়ে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও বিগত ছয় বছর তার দলীয় হাইকমান্ডের অযাচিত আচরণ কিছুটা তুলে ধরেন।এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের চাওয়া অনুযায়ী যেভাবে হোক আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথাও ব্যক্ত করেন। টকশোতে এমন বক্তব্য শোনার পর তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। বৃহত্তর সিলেটে তার ভক্ত ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তারা তার কাছে তিনটি আসনে নির্বাচন করার আবদারও ানান। কিন্তু নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ্য কিছু না বলাতে তারা রয়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে। তারা আশা করছেন, ১৫ই আগস্টই হয়তো তাদের সেই দীর্ঘদিনের কৌতূহল নিরসন করবেন তিনি।
সুলতান মনসুরের ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড নিয়ে গুঞ্জন ও কৌতূহল তাকে নিয়েই এখন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া-কমলগঞ্জ নির্বাচনী এলাকাসহ এ অঞ্চলে চলছে নানা আলোচনা আর হিসাব-নিকাশ। নিজ নির্বাচনী এলাকার দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক, ভক্ত, শুভানুধ্যায়ীরা উদগ্রীব ১৫ই আগস্টকে ঘিরে। তার ভক্ত ও সমর্থকরা এখন ব্যস্ত কার্ডটি বিলি করতে। একটি ছবিযুক্ত রঙিন ঈদ শুভেচ্ছা কার্ডের সঙ্গে একটি নিমন্ত্রণও। সেটি জাতীয় শোক দিবস, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদান ও বাংলার গণমানুষের মুক্তি আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ওই দিন তার গ্রামের বাড়ি কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের গোবিন্দপুরে মিলাদ মাহফিল ও মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণের। শুভেচ্ছা কার্ডে তিনি কুলাউড়া-কমলগঞ্জবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি প্রত্যাশা করেছেন সবার সহযোগিতায় ষড়যন্ত্রের রাজনীতি মোকাবিলা করে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার। দীর্ঘদিন থেকে মুখ বুজে আছেন তিনি। ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে তার সমর্থকরা যে কার্ড বিলি করছেন তাতে ১৫ই আগস্ট তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুলবেন- এমনটি ইঙ্গিত থাকায় কৌতূহলী নিজ দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও ভক্ত ছাড়া রাজনীতিবিদরাও। এ নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন আর আলোচনা। তিনি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। তিনি আওয়ামী লীগ ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ৪২ বছর থেকে। এ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স¤পাদকের। ছিলেন ঢাকসুর ভিপি ও এমপি। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে রয়েছে তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা। দলীয় রাজনীতির বাইরেও জনপ্রিয়তার কমতি নেই। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল ছাড়াও সারা দেশে রয়েছে তার হাতে গড়া দলীয় নেতাকর্মীসহ অসংখ্য সমর্থক ও ভক্ত। কিন্তু কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে পালনের পরও ঠাঁই হয়নি গত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তাকে সংস্কারপন্থি চিহ্নিত তুলে দলীয় রাজনীতি থেকে অদৃশ্য কারণে কোণঠাসা করে রাখা হয় একসময়ের এ দাপুটে নেতাকে। মান-অভিমানে সরাসরি দলীয় সভা-সমাবেশে যোগ না দিলেও তিনি তার নির্বাচনী এলাকাসহ সারা দেশে তার সমর্থক ও ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন সার্বক্ষণিক। দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর থেকে প্রতিনিয়ত দেশ-বিদেশে থাকা দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থক শুভানুধ্যায়ী, ভক্ত ও শুভাকাক্ষীরা ফোনে তাকে দলীয়ভাবে নিষ্ক্রিয় রাখা ও তার রাজনীতির ভবিষ্যৎ চিন্তা নিয়ে জানতে চাইলেও মুখ খোলেননি তিনি। অতি সম্প্রতি তিনি বেসরকারি দুটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় টকশোতে অংশ নিয়ে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও বিগত ছয় বছর তার দলীয় হাইকমান্ডের অযাচিত আচরণ কিছুটা তুলে ধরেন।এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের চাওয়া অনুযায়ী যেভাবে হোক আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথাও ব্যক্ত করেন। টকশোতে এমন বক্তব্য শোনার পর তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। বৃহত্তর সিলেটে তার ভক্ত ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তারা তার কাছে তিনটি আসনে নির্বাচন করার আবদারও ানান। কিন্তু নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ্য কিছু না বলাতে তারা রয়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে। তারা আশা করছেন, ১৫ই আগস্টই হয়তো তাদের সেই দীর্ঘদিনের কৌতূহল নিরসন করবেন তিনি। এম শাহজাহান আহমদ॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •