জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক এর বিরোদ্ধে মামলা ॥ শহরে উত্তেজনা বিরাজ

August 20, 2013, এই সংবাদটি ২৬০ বার পঠিত

মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জল সহ কয়েক জনের উপর মামলা হয়েছে এক দিনে দুটি। মামলা একটি করেছেন তারই কমিটির যুগ্ম আহবায়ক কামাল আহমদ এর ভাই সুহেল। অপরটিও ছাত্রদলের একজন। মৌলভীবাজার মডেল থানায় এই মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ মামলার আসামী একজনকে গ্রেফতার করেছে। এনিয়ে শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ও মামলার এজহার সূত্রে জানা যায় ১৯ আগষ্ট সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেস ক্লাবের মোড়ে ছাত্রদল নেতা ইছহাক আহমদ চৌধুরী মামনুর কে আক্রমন করে আহত করে তার প্রতিপক্ষ। ছাত্রদলের একটি সূত্রের দাবী পূর্বের এক মামলায় ছাত্রদলের কয়েকজন হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ারপর প্রতিপক্ষের এই নেতাকে সামনে পেয়ে এই ঘটনা ঘটায়। এই ব্যাপারে মডেল থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়। প্রধান আসামী জেলা ছাত্রদল আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বল। মামলার বাদী মামনুর। ঐদিন রাতে কুশুমভাগ এলাকায় এক ছিনতাইকারি আটকের পর তাদের জিজ্ঞাসার সময় ছিনতাইকারি ছাত্রদলের এক তরুনের নাম প্রকাশ করলে এই ঘটনার সূত্র ধরে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক কামাল আহমদের সাথে বিরোধ বাধে জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জলের। কামালের ভাই সুহেল আহমদ অভিযোগ করেছেন মোটর সাইকেল যোগে বাড়ি যাওয়ার সময় আসামীরা তার ভাইর উপর হামলা করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করে। তাকে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে সুহেল বাদী হয়ে জাকির হোসেন উজ্জলসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে মডেল থানায় মামলা করেন। এ দিকে পুলিশ রাতেই মামলার এক আসামী সাগর আহমদ কে গ্রেফতার করেছে। এ দিকে ছাত্রদলের আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বল প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন প্রথম ঘটনার সময় তিনি ছিলেন একটি অনুষ্টানে। যে অনুষ্টানে সরকারি দলের অনেক নেতা ও পুলিশের কর্মকর্তাও ছিলেন। তার কথা শুনেছি (তিনি শুনেছেন) জুনিয়র ছেলেরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনা প্রসংগে বলেন একটি সালিশ বৈঠক পরে কামালের সালে একজনের কথাকাটাকাটি হয়েছে। কিন্তু ছাত্রদলের রাজনীতি কুলশিত করার জন্য একটি মহল চক্রান্ত করে মিথ্যা মামলা করে আমাকে (তাকে) জড়ানো হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সরওয়ার মজুমদার ইমন মামলা প্রসংগে বলেন দুটি ঘটনায় কারা জড়িত প্রশাসন ভালভাবে জানে। তারপরও একচোখা নীতির কারণে রাতে ছাত্রদলের নেতা-কর্মি শহরের সবার বাসায় হানা দিয়েছে পুলিশ। তার কথা এভাবে চললে জেলা ছাত্রদল কর্মসূচি দিয়ে মাঠে নামবে। অন্যদিকে আসামী আটকের দাবীতে জেলা ছাত্রদলের ব্যনারে মিছিল করা হয়েছে। এদিকে মৌলভীবাজার ছাত্রদলের অভ্যন্তরিন কোন্দল দীর্ঘদিনের। জেলা বিএনপি’র দু’গ্রুপের সাথে ছাত্রদলও দুইভাগে বিভক্ত। একপক্ষ জেলা বিএনপি সভাপতি নাসের রহমানের সাথে। অপরপক্ষ সাধারণ সম্পাদক খালেদা রব্বানীর সাথে। অতি সম্প্রতি নতুন মেরুকরণ হয়েছে। অভিযোগ জেলা ছাত্রদলের যারা পূর্বে নাসের রহমানের পক্ষে ছিলেন তারা এখন বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছেন ফলে কোন্দল মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে। আর এসবের কারণে মারামারির ঘটনা ঘটছে। যদিও ছাত্রদলের আহবায়ক, যুগ্ম আহবায়কসহ অধিকাংশের বক্তব্য ছাত্রদল এখন শুধু ছাত্রদলের কারও গ্রুফে নেই কেন্দ্র সব মিটমাট করে দিয়েছে। মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুর ররহমান ছাত্রদল আহবায়ক সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ২ টি মামলার কথা স্বীকার করে গতকাল বিকালে জানিয়েছেন একজন কে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকীদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জল সহ কয়েক জনের উপর মামলা হয়েছে এক দিনে দুটি। মামলা একটি করেছেন তারই কমিটির যুগ্ম আহবায়ক কামাল আহমদ এর ভাই সুহেল। অপরটিও ছাত্রদলের একজন। মৌলভীবাজার মডেল থানায় এই মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ মামলার আসামী একজনকে গ্রেফতার করেছে। এনিয়ে শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ও মামলার এজহার সূত্রে জানা যায় ১৯ আগষ্ট সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেস ক্লাবের মোড়ে ছাত্রদল নেতা ইছহাক আহমদ চৌধুরী মামনুর কে আক্রমন করে আহত করে তার প্রতিপক্ষ। ছাত্রদলের একটি সূত্রের দাবী পূর্বের এক মামলায় ছাত্রদলের কয়েকজন হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ারপর প্রতিপক্ষের এই নেতাকে সামনে পেয়ে এই ঘটনা ঘটায়। এই ব্যাপারে মডেল থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়। প্রধান আসামী জেলা ছাত্রদল আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বল। মামলার বাদী মামনুর। ঐদিন রাতে কুশুমভাগ এলাকায় এক ছিনতাইকারি আটকের পর তাদের জিজ্ঞাসার সময় ছিনতাইকারি ছাত্রদলের এক তরুনের নাম প্রকাশ করলে এই ঘটনার সূত্র ধরে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক কামাল আহমদের সাথে বিরোধ বাধে জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জলের। কামালের ভাই সুহেল আহমদ অভিযোগ করেছেন মোটর সাইকেল যোগে বাড়ি যাওয়ার সময় আসামীরা তার ভাইর উপর হামলা করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করে। তাকে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে সুহেল বাদী হয়ে জাকির হোসেন উজ্জলসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে মডেল থানায় মামলা করেন। এ দিকে পুলিশ রাতেই মামলার এক আসামী সাগর আহমদ কে গ্রেফতার করেছে। এ দিকে ছাত্রদলের আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বল প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন প্রথম ঘটনার সময় তিনি ছিলেন একটি অনুষ্টানে। যে অনুষ্টানে সরকারি দলের অনেক নেতা ও পুলিশের কর্মকর্তাও ছিলেন। তার কথা শুনেছি (তিনি শুনেছেন) জুনিয়র ছেলেরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনা প্রসংগে বলেন একটি সালিশ বৈঠক পরে কামালের সালে একজনের কথাকাটাকাটি হয়েছে। কিন্তু ছাত্রদলের রাজনীতি কুলশিত করার জন্য একটি মহল চক্রান্ত করে মিথ্যা মামলা করে আমাকে (তাকে) জড়ানো হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সরওয়ার মজুমদার ইমন মামলা প্রসংগে বলেন দুটি ঘটনায় কারা জড়িত প্রশাসন ভালভাবে জানে। তারপরও একচোখা নীতির কারণে রাতে ছাত্রদলের নেতা-কর্মি শহরের সবার বাসায় হানা দিয়েছে পুলিশ। তার কথা এভাবে চললে জেলা ছাত্রদল কর্মসূচি দিয়ে মাঠে নামবে। অন্যদিকে আসামী আটকের দাবীতে জেলা ছাত্রদলের ব্যনারে মিছিল করা হয়েছে। এদিকে মৌলভীবাজার ছাত্রদলের অভ্যন্তরিন কোন্দল দীর্ঘদিনের। জেলা বিএনপি’র দু’গ্রুপের সাথে ছাত্রদলও দুইভাগে বিভক্ত। একপক্ষ জেলা বিএনপি সভাপতি নাসের রহমানের সাথে। অপরপক্ষ সাধারণ সম্পাদক খালেদা রব্বানীর সাথে। অতি সম্প্রতি নতুন মেরুকরণ হয়েছে। অভিযোগ জেলা ছাত্রদলের যারা পূর্বে নাসের রহমানের পক্ষে ছিলেন তারা এখন বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছেন ফলে কোন্দল মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে। আর এসবের কারণে মারামারির ঘটনা ঘটছে। যদিও ছাত্রদলের আহবায়ক, যুগ্ম আহবায়কসহ অধিকাংশের বক্তব্য ছাত্রদল এখন শুধু ছাত্রদলের কারও গ্রুফে নেই কেন্দ্র সব মিটমাট করে দিয়েছে। মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুর ররহমান ছাত্রদল আহবায়ক সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ২ টি মামলার কথা স্বীকার করে গতকাল বিকালে জানিয়েছেন একজন কে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকীদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •