শ্রীমঙ্গলে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের নামে গ্রাহকের লক্ষ লক্ষ টাকা লাপাত্তা

September 1, 2013, এই সংবাদটি ৫৩৩ বার পঠিত

শ্রীমঙ্গলে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স এর ভূয়া রিসিটের মাধ্যমে শত শত মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। প্রতিষ্ঠানের ফাঁদে পড়া অসহায় মানুষগুলোর চোখে এখন শুধুই অন্ধকার। সর্বশেষ প্রতারণার আশ্রয়ে ২ লক্ষ ৫ হাজার ৮ শত ৮১ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড এর শ্রীমঙ্গল শাখার ম্যানেজার মোঃ আব্দুল লতিফ ও উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান নিজাম। এদিকে গা ঢাকা দিয়েছেন উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান নিজাম। শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের পশ্চিম পাত্রিকুল গ্রামের মোঃ আকবর আলীর স্ত্রী ছালেহা বেগম গত ২৮ আগষ্ট বুধবার শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। এভাবে অসংখ্য মানুষকে প্রতারণা করা হয়েছে জানালে বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে পশ্চিম পাত্রীকুল গ্রামে গেলে অসংখ্য প্রতারণার শিকার মানুষ হাজির হয় সাংবাদিকদের সামনে। এ সময় (পাস বইয়ের নাম) আব্দুর রহিম, জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়, শফিক মিয়া, বিল্লাল মিয়া, মরিয়ম বেগম, আব্দুস সালাম, খালেদা বেগম, জোৎস্না বেগম, আলম চাঁন, আক্কাস মিয়া, ফরিদ মিয়া, ছালেহা বেগম, ফাতেমা বেগম ও নুরুর রহমানসহ অনেকেই কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন অভাব অনটনের সংসারে নিজে না খেয়ে বছরের পর বছর ধরে তারা এই লাইফ ইন্সুরেন্স-এ টাকা জমিয়ে আসছেন। বেশ কয়েকদিন নুরুজ্জামান কিস্তি আনতে না গেলে তাদের অনেকে শহরে এসে অফিসে যোগাযোগ করে দেখেন এক দুই কিস্তির পর আর কোন টাকা অফিসে জমা হয়নি। ছালেহা বেগম জানান, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিঃ শ্রীমঙ্গলস্থ ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আব্দুল লতিফ ও উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান নিজাম পরস্পর যোগাযোগমূলে শ্রীমঙ্গলস্থ কার্যালয়ে বসেই ভুয়া রশিদের মাধ্যমে তার স্বামী আকবর আলীর দুই লক্ষ পাঁচ হাজার আটশত একাশি টাকা সুপরিকল্পিতভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিঃ প্রধান কার্যালয়, সিলেটের বিভাগীয় কার্যালয়, মৌলভীবাজারের আঞ্চলিক কার্যালয় এবং শ্রীমঙ্গল কার্যালয়ে বারবার ধর্ণা দিয়েও কোন সুফল পাননি। এমনকি কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবরে চলতি বছরের ৬ মে লিখিত আবেদন করার পরও কোন সদুত্তর পাননি। বর্তমানে কোম্পানীর শ্রীমঙ্গল কার্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান নিজাম লাপাত্তা হলেও ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আব্দুল লতিফ বহাল তবিয়তে কার্যালয়ের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ছালেহা বেগম সাংবাদিকদের জানান, ভূনবীর ইউনিয়নের পশ্চিম পাত্রিকুল গ্রামের আরো অনেক পরিবারের বীমার টাকা এই পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড শ্রীমঙ্গল শাখার ম্যানেজার মোঃ আব্দুল লতিফ ও উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান নিজাম আত্মসাৎ করেছেন। প্রতারকরা যেন আর কোন নিরীহদের প্রতারণার ফাদে না ফেলতে পারে সে ব্যাপারে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেন ছালেহা বেগম। বিষয়টি স্বীকার করেলেন পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের শ্রীমঙ্গল ব্রাঞ্চ ইনচার্য আব্দুল লতিফ। তিনি জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকেই এমন অভিযোগ পাচ্ছেন। বিষয়টি তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে একটি অডিটও হয়েছে সে অডিটে প্রায় আট লক্ষ টাকা জ্বালিয়াতির প্রমানও পেয়েছে তারা। তবে গ্রাহকের টাকা ফেরতের বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।
শ্রীমঙ্গলে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স এর ভূয়া রিসিটের মাধ্যমে শত শত মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। প্রতিষ্ঠানের ফাঁদে পড়া অসহায় মানুষগুলোর চোখে এখন শুধুই অন্ধকার। সর্বশেষ প্রতারণার আশ্রয়ে ২ লক্ষ ৫ হাজার ৮ শত ৮১ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড এর শ্রীমঙ্গল শাখার ম্যানেজার মোঃ আব্দুল লতিফ ও উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান নিজাম। এদিকে গা ঢাকা দিয়েছেন উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান নিজাম। শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের পশ্চিম পাত্রিকুল গ্রামের মোঃ আকবর আলীর স্ত্রী ছালেহা বেগম গত ২৮ আগষ্ট বুধবার শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। এভাবে অসংখ্য মানুষকে প্রতারণা করা হয়েছে জানালে বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে পশ্চিম পাত্রীকুল গ্রামে গেলে অসংখ্য প্রতারণার শিকার মানুষ হাজির হয় সাংবাদিকদের সামনে। এ সময় (পাস বইয়ের নাম) আব্দুর রহিম, জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়, শফিক মিয়া, বিল্লাল মিয়া, মরিয়ম বেগম, আব্দুস সালাম, খালেদা বেগম, জোৎস্না বেগম, আলম চাঁন, আক্কাস মিয়া, ফরিদ মিয়া, ছালেহা বেগম, ফাতেমা বেগম ও নুরুর রহমানসহ অনেকেই কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন অভাব অনটনের সংসারে নিজে না খেয়ে বছরের পর বছর ধরে তারা এই লাইফ ইন্সুরেন্স-এ টাকা জমিয়ে আসছেন। বেশ কয়েকদিন নুরুজ্জামান কিস্তি আনতে না গেলে তাদের অনেকে শহরে এসে অফিসে যোগাযোগ করে দেখেন এক দুই কিস্তির পর আর কোন টাকা অফিসে জমা হয়নি। ছালেহা বেগম জানান, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিঃ শ্রীমঙ্গলস্থ ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আব্দুল লতিফ ও উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান নিজাম পরস্পর যোগাযোগমূলে শ্রীমঙ্গলস্থ কার্যালয়ে বসেই ভুয়া রশিদের মাধ্যমে তার স্বামী আকবর আলীর দুই লক্ষ পাঁচ হাজার আটশত একাশি টাকা সুপরিকল্পিতভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিঃ প্রধান কার্যালয়, সিলেটের বিভাগীয় কার্যালয়, মৌলভীবাজারের আঞ্চলিক কার্যালয় এবং শ্রীমঙ্গল কার্যালয়ে বারবার ধর্ণা দিয়েও কোন সুফল পাননি। এমনকি কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবরে চলতি বছরের ৬ মে লিখিত আবেদন করার পরও কোন সদুত্তর পাননি। বর্তমানে কোম্পানীর শ্রীমঙ্গল কার্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান নিজাম লাপাত্তা হলেও ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আব্দুল লতিফ বহাল তবিয়তে কার্যালয়ের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ছালেহা বেগম সাংবাদিকদের জানান, ভূনবীর ইউনিয়নের পশ্চিম পাত্রিকুল গ্রামের আরো অনেক পরিবারের বীমার টাকা এই পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড শ্রীমঙ্গল শাখার ম্যানেজার মোঃ আব্দুল লতিফ ও উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান নিজাম আত্মসাৎ করেছেন। প্রতারকরা যেন আর কোন নিরীহদের প্রতারণার ফাদে না ফেলতে পারে সে ব্যাপারে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেন ছালেহা বেগম। বিষয়টি স্বীকার করেলেন পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের শ্রীমঙ্গল ব্রাঞ্চ ইনচার্য আব্দুল লতিফ। তিনি জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকেই এমন অভিযোগ পাচ্ছেন। বিষয়টি তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে একটি অডিটও হয়েছে সে অডিটে প্রায় আট লক্ষ টাকা জ্বালিয়াতির প্রমানও পেয়েছে তারা। তবে গ্রাহকের টাকা ফেরতের বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। স্টাফ রিপোর্টার :

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •