মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিসে যা হচ্ছে…

September 4, 2013, এই সংবাদটি ৪৯২ বার পঠিত

দালাল চক্র এবং অফিস কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজসে মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিস থেকে বিধিমোতাবেক পাসপোর্ট আদায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। এমতাবস্থায় আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট সংগ্রহকারীদের ভোগান্তির কোন শেষ নেই। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিধিমোতাবেক ফরম পূরণ এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও ফিস প্রদানের পর অডিনারী পাসপোর্ট পেতে ১ মাস এবং আর্জেন্ট পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ৭ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। অডিনারী পাসপোর্টের ক্ষেত্রে তিন হাজার টাকা এবং আর্জেন্ট পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা ফিস প্রদানের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কোন নিয়ম-ই এখানে কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। পাসপোর্ট গ্রহীতাগণ জানান, ব্যক্তিগতভাবে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হলে অফিস থেকে নানান ত্রুটি বিচ্ছুতি চিহ্নিত করে ফের আবেদন করতে বলা হয়। তাদের নির্দেশনা অনুসারে পুণরায় আবেদন করা হলে সপ্তাহ দিন শেষে ফিংগার প্রিন্ট দিতে বলা হয়। সপ্তাহ দিন পর আসলে নানান অজুহাতে পরবর্তী সপ্তাহে আসার জন্য বলা হয়। এভাবে শুরু হয় সময় ক্ষেপণ। জট বাধে পুলিশ ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রেও। এমতাবস্থায় বিধিমোতাবেক পাসপোর্ট আদায়ের ক্ষেত্রে ১ মাসের স্থলে ২ মাস এবং আর্জেন্ট পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সপ্তাহের বদলে ১৫ দিন গড়ায়। তদস্থলে দালাল কিংবা অফিস কর্মচারীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হলে যথাসময়ের আগেই পাসপোর্ট হস্তগত হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় অডিনারী পাসপোর্টের বেলায় খরচ হচ্ছে ৫ হাজার টাকা এবং আর্জেন্টের ক্ষেত্রে ৭/৮ হাজার টাকা। ভোগান্তি এড়াতে অধিকাংশ পাসপোর্ট গ্রাহক উপায়হীন অবস্থায় দালাল কিংবা অফিস কর্মচারীর শরনাপন্ন হচ্ছেন। অপর একটি সূত্রে জানিয়েছে, চিহ্নিত দালাল চক্র কিংবা অফিস কর্মচারীর পাশাপাশি কয়েকটি ট্রাভেলস এজেন্সীও এ প্রক্রিয়ার সাথে জড়িয়ে পড়েছে। অতি সম্প্রতি বড়লেখার জনৈক আব্দুল লতিফ তাঁর স্ত্রী ও দু’কন্যার পাসপোর্টের জন্য ব্যক্তিগতভাবে আবেদন করলে ফিংগার প্রিন্ট খাতে প্রতি পাসপোর্টের বেলায় দুই হাজার টাকা দাবী করে বসেন অফিসের সহকারী পরিচালক মোঃ আলী আশরাফ। এ নিয়ে বাক-বিতন্ডা বাধলে বিষয়টি জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান পর্যন্ত গড়ায়। ফলে পাসপোর্ট অফিসের দূর্নীতি নিয়ে একটি তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। তদন্তে দূর্নীতির প্রমাণও পাওয়া গেছে বলে একটি সূত্র দাবী করছে।
দালাল চক্র এবং অফিস কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজসে মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিস থেকে বিধিমোতাবেক পাসপোর্ট আদায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। এমতাবস্থায় আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট সংগ্রহকারীদের ভোগান্তির কোন শেষ নেই। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিধিমোতাবেক ফরম পূরণ এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও ফিস প্রদানের পর অডিনারী পাসপোর্ট পেতে ১ মাস এবং আর্জেন্ট পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ৭ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। অডিনারী পাসপোর্টের ক্ষেত্রে তিন হাজার টাকা এবং আর্জেন্ট পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা ফিস প্রদানের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কোন নিয়ম-ই এখানে কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। পাসপোর্ট গ্রহীতাগণ জানান, ব্যক্তিগতভাবে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হলে অফিস থেকে নানান ত্রুটি বিচ্ছুতি চিহ্নিত করে ফের আবেদন করতে বলা হয়। তাদের নির্দেশনা অনুসারে পুণরায় আবেদন করা হলে সপ্তাহ দিন শেষে ফিংগার প্রিন্ট দিতে বলা হয়। সপ্তাহ দিন পর আসলে নানান অজুহাতে পরবর্তী সপ্তাহে আসার জন্য বলা হয়। এভাবে শুরু হয় সময় ক্ষেপণ। জট বাধে পুলিশ ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রেও। এমতাবস্থায় বিধিমোতাবেক পাসপোর্ট আদায়ের ক্ষেত্রে ১ মাসের স্থলে ২ মাস এবং আর্জেন্ট পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সপ্তাহের বদলে ১৫ দিন গড়ায়। তদস্থলে দালাল কিংবা অফিস কর্মচারীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হলে যথাসময়ের আগেই পাসপোর্ট হস্তগত হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় অডিনারী পাসপোর্টের বেলায় খরচ হচ্ছে ৫ হাজার টাকা এবং আর্জেন্টের ক্ষেত্রে ৭/৮ হাজার টাকা। ভোগান্তি এড়াতে অধিকাংশ পাসপোর্ট গ্রাহক উপায়হীন অবস্থায় দালাল কিংবা অফিস কর্মচারীর শরনাপন্ন হচ্ছেন। অপর একটি সূত্রে জানিয়েছে, চিহ্নিত দালাল চক্র কিংবা অফিস কর্মচারীর পাশাপাশি কয়েকটি ট্রাভেলস এজেন্সীও এ প্রক্রিয়ার সাথে জড়িয়ে পড়েছে। অতি সম্প্রতি বড়লেখার জনৈক আব্দুল লতিফ তাঁর স্ত্রী ও দু’কন্যার পাসপোর্টের জন্য ব্যক্তিগতভাবে আবেদন করলে ফিংগার প্রিন্ট খাতে প্রতি পাসপোর্টের বেলায় দুই হাজার টাকা দাবী করে বসেন অফিসের সহকারী পরিচালক মোঃ আলী আশরাফ। এ নিয়ে বাক-বিতন্ডা বাধলে বিষয়টি জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান পর্যন্ত গড়ায়। ফলে পাসপোর্ট অফিসের দূর্নীতি নিয়ে একটি তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। তদন্তে দূর্নীতির প্রমাণও পাওয়া গেছে বলে একটি সূত্র দাবী করছে। স্টাফ রিপোর্টার :

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •