মৌলভীবাজারের চা পাতা পাচারকারী চক্রের ৩ সদস্যকে চট্রগ্রাম থেকে আটক॥ ১১ হাজার কেজি চা-পাতা উদ্ধার

September 25, 2013, এই সংবাদটি ২৮৮ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার লুয়াইউনি-হলিছড়া বাগানের চুরি যাওয়া প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কেজি চাসহ চোরচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ জানিয়েছে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কেজি চা উদ্ধার করা হয়েছে। চা আত্মসাতের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এরমধ্যে বাগানের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম ও সহকারী ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান জামিনে রয়েছেন। হবিগঞ্জ ও চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা আকল মিয়া ও মনিরুজ্জামান মিন্টুকে মঙ্গলবার বিকেলে রিমান্ড আবেদন করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার তোফায়েল আহম্মদ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে সাংবাদিকদেরকে এসব তথ্য জানান। পুলিশ জানায়, গত ১৮ আগস্ট ১৪৫ বস্তা এবং ২৬ আগস্ট ১১৪ বস্তায় প্রায় ১৪ হাজার কেজি চা ভূয়া চালানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ওয়্যার হাউজে পাঠানোর নাম করে ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা শ্রীমঙ্গলে একটি চা চোরচক্রের নিকট বিক্রি করে দেয়। এরপর লুয়াইউনি-হলিছড়া চা বাগান কর্তৃপক্ষ কুলাউড়া থানায় দুটি মামলা দায়ের করে করেন। এ বিষয়টি সিলেটের ডিআইজি মকবুল হোসেন ভূঁইয়া জানার পর মৌলভীবাজার পুলিশ সুপারকে চোরচক্রের মূল হোতাসহ সকলকে গ্রেফতার ও দ্রুত মালামাল উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় মামলার বাগান ব্যাবস্থাপক (ম্যানেজার) শফিকুর ইসলাম, সহকারী ম্যানেজার মেহেদী হাসান ও কোহিনুর আলমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাগানের কোয়ার্টার থেকে ফ্যাক্টরি বাবু আব্দুল হককে গ্রেফতার করে দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। সহকারী ম্যানেজার ও ফ্যাক্টরি বাবুর আদালতে স্বীকারোক্তি এবং ম্যানেজার ও অপর সহকারী ম্যানেজার রিমান্ড জিজ্ঞাসাবাদে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট বিভাগের ডিআইজির সার্বিক তত্বাবধানে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন পিপিএম গত রোবাবার রাতে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের লস্করপুর থেকে আকল মিয়াকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আকল মিয়ার দেওয়া তথ্য অনুসারে গত সোমবার (২৩সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে চোরাই চা ক্রেতা মনিরুজ্জামান মিন্টুকে এই সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পুলিশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল গ্রেফতার করে। তার বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গোডাউন থেকে ২১০ বস্তা (১১ হাজার ৫০০কেজি) চা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। পুলিশের ওই সুত্র জানায় এখনও উদ্ধারকৃত চা কাভার ভ্যানে রয়েছে। পরিমাপের পর প্রকৃতপক্ষে কতো হাজার কেজি চা উদ্ধার করা হয়েছে তা সঠিকভাবে বলা যাবে। পুলিশ সুত্র আরো জানায়, গ্রেফতারকৃত আকল মিয়া ও মনিরুজ্জামানকে পুলিশ রিমান্ড আবেদন করে মঙ্গলবার বিকেলে মৌলভীবাজার আদালতে প্রেরণ করে। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। প্রেস ব্রিয়িংয়ে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সিরাজুল হুদা, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) কুলাউড়া দীলিপ কুমার দাস, চা বাগানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল করিম, হা-মীম গ্রুপের অডিট ম্যানেজার প্রমুখ। বাগান সংশ্লিষ্ট একটি সুত্র জানায়, একেকটি বস্তায় ৫৫ কেজি চা থাকে। চট্টগ্রামের মনিরুজ্জামানের জিম্মা থেকে ২১০ বস্তা চা উদ্ধার করা হয়েছে। এই হিসেবে ২১০ বস্তায় সাড়ে ১১ হাজার কেজি চা থাকার কথা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি দীলিপ কুমার দাস জানান, গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে প্রেরনের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান তাদেরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অনুদ্ধারকৃত বাকী চা দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হবে। সিলেটের ডিআইজি মকবুল হোসেন ভূঁইয়া মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় মোবাইল ফোনে এ প্রতিনিধিকে বলেন পুলিশ সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের ফলে দ্রুত চা শিল্প ধ্বংসকারী একটি চক্রের হোতাদের গ্রেফতার ও চোরাই চা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। চা শিল্প রক্ষায় ও উন্নয়নে পুলিশ এভাবে সব সময় কাজ করে যাবে।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার লুয়াইউনি-হলিছড়া বাগানের চুরি যাওয়া প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কেজি চাসহ চোরচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ জানিয়েছে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কেজি চা উদ্ধার করা হয়েছে। চা আত্মসাতের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এরমধ্যে বাগানের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম ও সহকারী ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান জামিনে রয়েছেন। হবিগঞ্জ ও চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা আকল মিয়া ও মনিরুজ্জামান মিন্টুকে মঙ্গলবার বিকেলে রিমান্ড আবেদন করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার তোফায়েল আহম্মদ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে সাংবাদিকদেরকে এসব তথ্য জানান। পুলিশ জানায়, গত ১৮ আগস্ট ১৪৫ বস্তা এবং ২৬ আগস্ট ১১৪ বস্তায় প্রায় ১৪ হাজার কেজি চা ভূয়া চালানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ওয়্যার হাউজে পাঠানোর নাম করে ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা শ্রীমঙ্গলে একটি চা চোরচক্রের নিকট বিক্রি করে দেয়। এরপর লুয়াইউনি-হলিছড়া চা বাগান কর্তৃপক্ষ কুলাউড়া থানায় দুটি মামলা দায়ের করে করেন। এ বিষয়টি সিলেটের ডিআইজি মকবুল হোসেন ভূঁইয়া জানার পর মৌলভীবাজার পুলিশ সুপারকে চোরচক্রের মূল হোতাসহ সকলকে গ্রেফতার ও দ্রুত মালামাল উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় মামলার বাগান ব্যাবস্থাপক (ম্যানেজার) শফিকুর ইসলাম, সহকারী ম্যানেজার মেহেদী হাসান ও কোহিনুর আলমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাগানের কোয়ার্টার থেকে ফ্যাক্টরি বাবু আব্দুল হককে গ্রেফতার করে দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। সহকারী ম্যানেজার ও ফ্যাক্টরি বাবুর আদালতে স্বীকারোক্তি এবং ম্যানেজার ও অপর সহকারী ম্যানেজার রিমান্ড জিজ্ঞাসাবাদে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট বিভাগের ডিআইজির সার্বিক তত্বাবধানে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন পিপিএম গত রোবাবার রাতে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের লস্করপুর থেকে আকল মিয়াকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আকল মিয়ার দেওয়া তথ্য অনুসারে গত সোমবার (২৩সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে চোরাই চা ক্রেতা মনিরুজ্জামান মিন্টুকে এই সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পুলিশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল গ্রেফতার করে। তার বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গোডাউন থেকে ২১০ বস্তা (১১ হাজার ৫০০কেজি) চা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। পুলিশের ওই সুত্র জানায় এখনও উদ্ধারকৃত চা কাভার ভ্যানে রয়েছে। পরিমাপের পর প্রকৃতপক্ষে কতো হাজার কেজি চা উদ্ধার করা হয়েছে তা সঠিকভাবে বলা যাবে। পুলিশ সুত্র আরো জানায়, গ্রেফতারকৃত আকল মিয়া ও মনিরুজ্জামানকে পুলিশ রিমান্ড আবেদন করে মঙ্গলবার বিকেলে মৌলভীবাজার আদালতে প্রেরণ করে। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। প্রেস ব্রিয়িংয়ে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সিরাজুল হুদা, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) কুলাউড়া দীলিপ কুমার দাস, চা বাগানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল করিম, হা-মীম গ্রুপের অডিট ম্যানেজার প্রমুখ। বাগান সংশ্লিষ্ট একটি সুত্র জানায়, একেকটি বস্তায় ৫৫ কেজি চা থাকে। চট্টগ্রামের মনিরুজ্জামানের জিম্মা থেকে ২১০ বস্তা চা উদ্ধার করা হয়েছে। এই হিসেবে ২১০ বস্তায় সাড়ে ১১ হাজার কেজি চা থাকার কথা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি দীলিপ কুমার দাস জানান, গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে প্রেরনের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান তাদেরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অনুদ্ধারকৃত বাকী চা দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হবে। সিলেটের ডিআইজি মকবুল হোসেন ভূঁইয়া মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় মোবাইল ফোনে এ প্রতিনিধিকে বলেন পুলিশ সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের ফলে দ্রুত চা শিল্প ধ্বংসকারী একটি চক্রের হোতাদের গ্রেফতার ও চোরাই চা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। চা শিল্প রক্ষায় ও উন্নয়নে পুলিশ এভাবে সব সময় কাজ করে যাবে। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •