রাজনগরে জাকের পার্টির কর্মীকে জামায়াত নেতা বলে আদালতে প্রেরন ॥ এলাকায় তোলপাড়

November 19, 2013, এই সংবাদটি ২২৬ বার পঠিত

রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ ইউপির সুনামপুর গ্রামের সুরুজ মিয়ার পুত্র মাওঃ আব্দুর রহমান (৫০) কে জামায়াত নেতা চালিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, জামায়াতের সাথে তার কোন যোগসাজোশ নেই, তবে এ নাম কেন ব্যবহার করলো পুলিশ? আটক আব্দুর রহমানের স্ত্রী সালেহা আক্তার জানান, আমার স্বামী জাকের পার্টির একজন সক্রিয় কর্মী, গ্রামের কিছু লোক শত্রুতা করে পুলিশ এসল্ট মামলায় তার নাম দিয়েছে। রাজনগর থানার এসআই (উপপরিদর্শক) রতন দাশ বলেন, উত্তরভাগ ইউপি জামায়াত সসভাপতি মাওঃ আব্দুর রহমান(৫০) কে পুলিশ এসল্ট মামলায় (মামলা নং-১৭ তাং-১৫/০৪/২০১৩ইং) আটক করা হয়েছে। ১৬ নভেম্বর শনিবার গভীর রাতে তার বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তাকে আটক করে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজনগর থানা জামায়াতের সেক্রেটারী আবুর রাইয়ান শাহিন জানান, ঐ এলাকায় আব্দুর রহমান নামে আমাদের কোন জামায়াত কর্মী নেই। সংগঠনের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ ইউপির সুনামপুর গ্রামের সুরুজ মিয়ার পুত্র মাওঃ আব্দুর রহমান (৫০) কে জামায়াত নেতা চালিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, জামায়াতের সাথে তার কোন যোগসাজোশ নেই, তবে এ নাম কেন ব্যবহার করলো পুলিশ? আটক আব্দুর রহমানের স্ত্রী সালেহা আক্তার জানান, আমার স্বামী জাকের পার্টির একজন সক্রিয় কর্মী, গ্রামের কিছু লোক শত্রুতা করে পুলিশ এসল্ট মামলায় তার নাম দিয়েছে। রাজনগর থানার এসআই (উপপরিদর্শক) রতন দাশ বলেন, উত্তরভাগ ইউপি জামায়াত সসভাপতি মাওঃ আব্দুর রহমান(৫০) কে পুলিশ এসল্ট মামলায় (মামলা নং-১৭ তাং-১৫/০৪/২০১৩ইং) আটক করা হয়েছে। ১৬ নভেম্বর শনিবার গভীর রাতে তার বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তাকে আটক করে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজনগর থানা জামায়াতের সেক্রেটারী আবুর রাইয়ান শাহিন জানান, ঐ এলাকায় আব্দুর রহমান নামে আমাদের কোন জামায়াত কর্মী নেই। সংগঠনের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •